করোনাকালের ১০০ দিনে দেশে ইন্টারনেট ও ই-কমার্সের ব্যবহার ৫০ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি সার্বিক বিবেচনায় ইন্টারনেটের দাম কমানোর দাবির সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। গতকাল শুক্রবার অনলাইনে ইয়ুথ পার্লামেন্ট বাজেট অধিবেশনে যোগ দিয়ে এমন অভিমত ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ‘করোনাকালে আমি দেখেছি, এই যে ১০০ দিনের অধিক সময় আমরা ঘরে বন্দি আছি। কিন্তু সাড়ে ৪ কোটি শিক্ষার্থী কিন্তু ঘরে বসেই শিক্ষা চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে জরুরি খাদ্য সরবরাহ এমনকি ঘরে বসে বিনোদন পর্যন্ত কিন্তু করতে হচ্ছে অনলাইনের মাধ্যমে, ইন্টারনেট ব্যবহার করে। সে ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ব্যবহার ৫০ শতাংশ বেড়েছে। ই-কমার্সের লেনদেন ৫০ শতাংশ বেড়েছে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ঠিক সেই মুহূর্তে সাধারণ মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহার আরও উৎসাহিত করতে আমিও একমত। ইন্টারনেটের ওপর বিদ্যমান ১০ শতাংশ শুল্ক যদি কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয় তাহলে ভালো। যদি সেটা সম্ভব না হয়, অন্তত বাড়ানো না হয় সে জন্য দাপ্তরিকভাবে আমি মাননীয় অর্থমন্ত্রীর কাছে আবেদন-নিবেদন করেছি। অনুরোধ করেছি। আজও (গতকাল) তরুণ সাংসদদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি।’
জুনাইদ আহমেদ পলক আরও বলেন, ‘তারুণ্যের মেধা এবং প্রযুক্তি শক্তি দিয়ে আমরা যদি উদ্ভাবনীমূলক পরিকল্পনা ও উদ্ভাবন দিয়ে এগিয়ে যাই, তাহলে মহামারীর সংকট কাটিয়ে আমরা সম্ভাবনায় পরিণত হতে পারব।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, অ্যাকশন এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য প্রমুখ।
