জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে মেহেদী হাসানের দ্বিতীয় স্ত্রী রোজিনা হত্যার দায় পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন স্বামী ও সতীন। হত্যায় ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি ও মোবাইল ফোন বের করে দিয়েছেন পুলিশের হাতে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার গভীর রাতে স্বামী মেহেদী হাসান ও সতীন নূরজাহান আকতার আঙ্গুর মিলে রোজিনা আখতারকে পারিবারিক কলহের জেরে মোবাইল ফোনে গুডুম্বা বাবার বাড়ি থেকে ডেকে আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউপির হরিসাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর ঝগড়ার একপর্যায়ে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন রোজিনাকে। হত্যার পর মরদেহ ফেলে রেখে যায় রোজিনার বাবার বাড়ি পাশে।
গত শরিবার সকালে উপজেলার রায়কালী ইউপির গুডুম্বা পূর্বপাড়া থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান ময়নাতদন্তের জন্য। এদিন সকালেই আটক করা হয় স্বামী মেহেদী হাসানকে। পুলিশের কাছে মেহেদী হাসানের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে পুলিশ নিহতের সতীন নুরজাহান আকতার আঙ্গুরকেও (২৯) আটক করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।
আক্কেলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু ওবায়েদ বলেন, তারা রোজিনা হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
