অবশেষে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রী সফুরা জারগার জামিন পেলেন। মঙ্গলবার দিল্লির হাইকোর্ট তাকে জামিনাদেশ দেয়। বিবিসির খবর।
ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করায় সন্ত্রাসবাদ দমন আইনে গ্রেপ্তার করা হয় জারগারকে। এপ্রিলে গ্রেপ্তার হওয়ার সময় তিনমাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন তিনি।
পুলিশ তাকে দিল্লি দাঙ্গার অন্যতম ইন্ধনদাতা হিসাবে চিহ্নিত করে। তবে ওই অভিযোগ সবসময় অস্বীকার করেছে সফুরা জারগারের পরিবার।
তাদের বক্তব্য, তিনি শুধু নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন।
তাকে আটক করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনা নিয়ে এমনকি ভারতের বাইরেও ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়।
এরপরও জারগারের জামিনের আবেদন তিনবার খারিজ করে দিয়েছিল আদালত। সর্বশেষ কেন্দ্রীয় সরকার মানবিকতার জায়গা থেকে তার জামিনে রাজি হয়।
এদিন পাঁচটি শর্তে জারগারের জামিনাদেশ দেয় আদালত। শর্তগুলোর মধ্যে আছে, প্রতি পনের দিনে একবার ফোন তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করবেন, আদালতের অনুমতি ছাড়া দিল্লির বাইরে যাওয়া যাবে না, তদন্ত বাঁধাগ্রস্ত হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না।
ফেব্রুয়ারিতে ভারতের রাজধানীতে নাগরিকত্ব আইনবিরোধী বিক্ষোভকে ঘিরে হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষে ৫৩ জন মারা যাযন, যাদের অধিকাংশই ছিল মুসলিম।
