সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যা নিয়ে উত্তাল নেট দুনিয়া। বারবার উঠছে স্বজনপোষণের কথা। নেটিজেনদের একটাই বক্তব্য। বলিউডের স্বজনপোষণ নীতির জন্য অকালে ঝরে গেল একটি তাজা প্রাণ। শুধু নেটিজেনরা নয়, বলিউডের অনেকেও এই অভিযোগ তুলেছেন। অনেক স্টারকিড এমন অভিযোগে চুপ। অনেকে নেপোটিজমের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। কিন্তু সোনম কাপুর উলটো পথে হাঁটলেন। নেটিজেনদের স্পষ্ট বললেন, এ জীবনে যে যার কর্মফল পায়। তিনিও পেয়েছেন।
সুশান্তের আত্মহত্যা নিয়ে তদন্ত যত এগিয়েছে নেপোটিজমের চর্চা তত চলেছে নেট দুনিয়ায়। প্রতিটি স্টারকিডের ওপর ধেয়ে এসেছে ব্যঙ্গোক্তি। সালমান খান, কারিনা কাপুর, আলিয়া ভাট, শ্রদ্ধা কাপুর, সোনাক্ষী সিনহা.. বাদ যাননি কেউই। সম্প্রতি সাইফ আলি খানও স্বীকার করে নিয়েছেন নেপোটিজমের কথা। বলেছেন, স্টারকিড হওয়ায় তিনি সুবিধা পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি চান অবিলম্বে এই নেপোটিজম বলিউড থেকে বিদায় নিক। সোনাক্ষী সিনহা তো সমালোচনা না নিতে পেরে টুইটার অ্যাকাউন্টই ডিলিট করে দিয়েছেন। কিন্তু সোনম কাপুর এসবের কিছুই করেননি। নেপোটিজমের কথা তিনি স্বীকার করেছেন। কিন্তু এতে দোষের কিছু দেখছেন না অভিনেত্রী। তিনি জানিয়েছেন, সবকিছুই কর্মফলের উপর নির্ভর করে। কে, কোথায় জন্ম নেবে তা কর্মফলই নির্ধারণ করে। তিনি যেখানে জন্মেছেন বা যা সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, তার জন্য তিনি রোজ ভগবানকে ধন্যবাদ দেন। যারা এসব বোঝে না, তাদের যেন ভগবান ক্ষমা করে দেন, এমন কথাও সোনম লিখেছেন টুইটারে।
অন্য একটি টুইটে লিখেছেন, তার বাবা সারা জীবন প্রচুর খেটেছেন বলেই তিনি আজ এখানে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। এটা তার কাছে মোটেই অপমান নয়। তার কর্মের ফল যে তিনি এমন একটি পরিবারে জন্মেছেন।
সোনমের এই টুইটগুলোর ফলে নেট দুনিয়ায় তাকে নিয়ে চর্চা তো কমেইনি, বরং বেড়েছে। তবে এখানেই শেষ নয়। সোনম একসময় ‘কফি উইথ করণ’-এ সুশান্তকে নিয়ে বিদ্রূপ করেছিলেন। সোনমের দাবি ওই ভিডিওটি ৭ বছরের পুরোনো। তখন সত্যিই অনেকে সুশান্তকে চিনতেন না। আর তা ছাড়া ওই এপিসোডটি এডিটেড। তিনি আরও অনেক কথা বলেছিলেন। যেগুলো রাখা হয়নি। আর তা ছাড়া তাকেও তো অনেকে অনেক শোয়ে অনেক ভালোমন্দ বলেন। তিনিই তার জন্য তো ভেঙে পড়েন না!
