যাত্রাবাড়ীর চৌরাস্তা গোলচত্ত্বরে আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে প্রায় সাত হাজার স্কয়ার ফুট জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন নার্সারি।
সড়ক পথে চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল সিলেট বিভাগের মানুষ যাত্রাবাড়ি হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করে এবং বের হয়ে যায়। এই জায়গাটি সব সময় অস্বাস্থ্যকর হয়ে থাকত।
শনিবার যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা সৌন্দর্য বর্ধন এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারি বিভাগের উপ-কমিশনার শাহ ইফতেখার আহমেদ।
উপ-কমিশনার শাহ ইফতেখার আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, রাজধানীর প্রধানতম প্রবেশদ্বার এই গোলচত্ত্বরটি ভাসমান মানুষের আশ্রয়স্থল ও ময়লা আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছিল। এখান সেখানে নার্সারি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে প্রায় ৪০ প্রকারের ফলজ, বনজ ও ফুল গাছ আছে এই মুহূর্তে। কিছু ঔষধি গাছও আছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, ডেমরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রাকিবুল হাসান যোগদান করার পর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তার সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শুরু করেন। এই কাজ করতে গিয়ে সম্পূর্ণ গোলচত্ত্বর বাউন্ডারি করা হয়, ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে নারানগঞ্জ কেরানীগঞ্জ ও ডেমরা এলাকা থেকে আট ট্রাক মাটি, চার ট্রাক গোবর, তিন ট্রাক বালু এনে বাগান করার উপযোগী করা হয়। বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনার মধ্যেও এই কাজ থেমে যায়নি। এই নার্সারি করতে সাহায্য করেছে যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন আয়ান মাহমুদ, ডেমরা ফাড়ির ইনচার্জ এস আই কুদ্দুস।
