চীনের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত উত্তেজনা শিগগিরই কমে আসার সম্ভাবনা ফিকে হয়ে আসছে। দুপক্ষই লাদাখ এলাকায় ভারী সামরিক সরঞ্জাম ও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করছে।
এরই অংশ হিসেবে চীনের যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে সংঘাতপূর্ণ লাদাখে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ভারত।
এই সময় জানায়, সরকারি সূত্রকে উদ্ধৃত করে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএনআই।
সূত্রটি জানিয়েছে, চীনা যুদ্ধবিমানের যে কোনো হঠকারিতা রুখতে ভারতীয় সেনা ও বিমান বাহিনীর আকাশমুখী ক্ষেপণাস্ত্র বসানো হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর ইতোমধ্যেই শক্তি বাড়িয়েছে চীন। সুখোই-৩০ এর মতো যুদ্ধবিমান এলএসি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে দেখা গেছে।
পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পিছিয়ে নেই ভারতও। বিমান বাহিনী প্রধানের লে-শ্রীনগরে বিমানঘাঁটি পরিদর্শনের পর পরই গালওয়ান উপত্যকার আকাশে ভারতীয় যুদ্ধবিমান দেখা যায়। বিমান বাহিনীকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তায় সবরকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ফরওয়ার্ড বিমানঘাঁটিগুলোতে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।
আকাশপথে তৎপরতা দেখাতে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আকাশে উড়তে দেখা গেছে ভারতের চিনুক কার্গো, অ্যাপাচি, পি-৮ সার্ভেইলেন্স এয়ারক্র্যাফ্টের মতো একাধিক সামরিক হেলিকপ্টার।
পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর থেকেই ওই এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী, সরঞ্জাম ও রসদ পাঠাতে শুরু করে ভারতীয় সেনা।
বিশ্বের অন্যতম বড় ট্যাকটিক্যাল এয়ারলিফ্টার বিমান সি-১৩০ জে হারকিউলিসকেও লাদাখের আকাশে দেখা গেছে।
গত ১৫ জুন লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চীন ও ভারতের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে প্রাণ হারায় ২০ জন ভারতীয় সেনা। আহত হন কমপক্ষে ৭৬ জন। চীন হতাহতের কথা স্বীকার করলেও সংখ্যা প্রকাশ করবে না বলে জানিয়েছে।
