বিজিবির বিরুদ্ধে ২ কলেজ ছাত্রকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ

আপডেট : ২৯ জুন ২০২০, ১২:৩২ এএম

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বিজিবি জওয়ানদের সাথে তর্কের জের ধরে দুই কলেজ ছাত্রকে ক্যাম্পে নিয়ে নির্যাতন করে ও ইয়াবা দিয়ে মামলা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ঘটনায় নির্দোষ সন্তানকে ফিরে পেতে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে তাদের পরিবার। পরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান আলহাজ্ব সৈয়দ জামান।

অভিযোগে বলা হয়, গত দেড় মাস আগে রৌমারী উপজেলার বালিয়ামারী খেয়াঘাটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র মশফিকুর রহমান মামুন ও হেমায়েত উল্যাহ হিমুর সাথে বিজিবির এফএস সদস্য জসিম ও মামুনের বাকবিতন্ডা হয়। এরই জের ধরে চলতি মাসের ২২জুন মামুন ও হিমুকে রৌমারীর সায়দাবাদ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাঘার চর ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। এরপর ১৯৭ পিচ ইয়াবা দিয়ে দুই কলেজ ছাত্রের নামে দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নির্দোষ সন্তানদের নিঃশর্ত মুক্তি চেয়েছেন নির্যাতিতদের পরিবার।

এ ব্যাপারে বিজিবির এফএস জসিম উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমি গত ৫দিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় পরে আছি। অভিযুক্তদের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এমন ঘটনার অবতারণা করছে। আমি নির্দোষ। সর্বোচ্চ আদালতের বিচার আমি মেনে নেবো।

এ ব্যাপারে রৌমারী উপজেলার দায়িত্বে থাকা জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্ণেল এস এম আজাদ এসইউপি এর সাথে ফোনে কথা হলে জানান, মামলা তদন্তাধীনে রয়েছে। নিরাপরাধ ব্যক্তির যাতে ক্ষতি না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সজাগ রয়েছি। আমরা গত দশ মাসে ৮০ থেকে ৯০ জন আসামী ধরেছি। যারা ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। আসামীদের ৯০ ভাগ আলগার চরের লোক। তারা প্রভাবশালীদের নাম ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধীদের ব্যাপারে আমরা জিরো টলারেন্স ভূমিকা পালন করছি। অবশ্যই নির্দোশ ব্যক্তি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত  না হয় সেটা সবার কাম্য।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত