ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদের অপসারণ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আওয়ামী লীগ দলীয় সাতজন ইউপি চেয়ারম্যান।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাত ইউপি চেয়ারম্যানের পক্ষে লিখিত বক্তব্য রাখেন আশুগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. সালাহ উদ্দিন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সির বিরুদ্ধে সরকারি বালু লোপাটের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে ওসি জাবেদ মাহমুদ গত ২ জুলাই রাতে আশুগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সোনারামপুর গ্রামে স্থানীয় সাংবাদিক আশেকুর রহমান রনির বাড়িতে গিয়ে তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।
তিনি আরও বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ব্যবহার সম্পর্কে জানতে চাইলে আমার সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেন ওসি। এ সময় আমাকে থানায় নিয়ে শায়েস্তা করার হুমকি দেন।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে ওসির বিরুদ্ধে জামাত-বিএনপির নেতাকর্মীসহ অপরাধীদের সাথেও সখ্যতা রেখে চলার অভিযোগ করা হয়। এসব কারণে ওসি জাবেদ মাহমুদের অপসারণ দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা ইউপি চেয়ারম্যান জিয়া উদ্দিন খন্দকার, দুর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল করিম খান সাজু, তালশহর ইউপি চেয়ারম্যান আবু শ্যামা, আড়াইসিধা ইউপি চেয়ারম্যান মো. সেলিম মিয়া ও শরীফপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফ উদ্দিন চৌধুরী এবং তারুয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস হাসান উপস্থিত ছিলেন।
ইউপি চেয়ারম্যানরা প্রত্যেকেই তাদের ইউনিয়নের আওয়ামী লীগেরও বিভিন্ন পদে রয়েছেন।
তবে ওসি জাবেদ মাহমুদ অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, আমি রনির চেহারাই দেখিনি, তিনি নিয়মিত মামলার আসামি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রনিকে থানায় নিয়ে আসতে চাইলে চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন বাধা দেন। পরবর্তীতে আমার সাথে চেয়ারম্যান ফোনে কথা বলার পর রনিকে আধা ঘণ্টা পর থানায় পাঠানো হবে বললে তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল থেকে চলে আসেন।
