করোনার অ্যান্টিবডি কিটের অনুমোদন পেতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে আবারো বিদ্যমান সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে অগ্রসর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
গণস্বাস্থ্যের কিট প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার রবিবার দুপুরে দেশ রূপান্তরকে এ কথা জানিয়েছেন।
ঔষুধ প্রশাসন গণস্বাস্থ্যের কথা পজিটিভলি শুনেছে জানিয়ে তিনি বলেন, অ্যান্টিবডির বিষয়ে আমাদের ইন্টারনাল ভেলিডেশান রিপোর্টকে আমলে এনে নিবন্ধনের অনুরোধ করেছিলাম। অধিদপ্তর বিদ্যমান সরকারি নিয়মে আবার সিআরও এর মাধ্যমে ইউএস এফডিএ আমব্রেলা গাইডলাইনস এক্সটারনাল ভেলিডেশান করতে বলেছে।
ডা. মুহিব উল্লাহ বলেন, এ জন্য আমাদের আবেদনকৃত রি-এজেন্টের জন্য NOC দিয়ে দেবে।
তিনি জানান, অ্যান্টিজেনের নীতিমালা আগামী বুধবার ফাইনাল হবে। একটা ফরমেট পাঠাবে। ওইটা অনুযায়ী প্রটোকল আপডেট করে জমা দিতে বলেছে।
এর আগে দুপুর ১২টায় অ্যান্টিবডি কিট নিয়ে আলোচনার জন্য জাতীয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে যান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।
প্রসঙ্গত, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিটের অনুমোদন দেয়নি জাতীয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
গত ২৫ জুন বিকেলে এক ই-মেইলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর অ্যান্টিবডি টেস্ট কিটের অনুমোদন না দেওয়ার বিষয়টি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে জানায়।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা শেষে বিএসএমএমইউ ১৬ জুন তাদের প্রতিবেদন জমা দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গণস্বাস্থ্যের কিট করোনা শনাক্তে কার্যকর নয়। তবে অ্যান্টিবডি টেস্টে ৭০ শতাংশ কার্যকর ফল দিয়েছে।
