করোনাভাইরাসের কারণে পিছিয়ে যাওয়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরের তালিকাটা বেশ লম্বা। ক’দিন আগেই এই তালিকায় যোগ হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের ‘বিশ্বকাপ’ বলে পরিচিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। তবে এক বছরের জন্য এই আসর পিছিয়ে যাওয়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন জাতীয় দলের এক নম্বর গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা।
ঢাকায় ১৯ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। তবে গত ২৯ জুন সাফের দেশগুলোর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকদের অনলাইন বৈঠকে এই আসর ২০২১ সাল পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
রানা মনে করেন সাফ পিছিয়ে যাওয়ায় এই সময়ে প্রস্তুতির ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা যাবে এবং ঘরের মাঠে নিজেদের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে প্রস্তুত করা যাবে ।
শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের এই গোলরক্ষক বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর কারণে ২০২০ সালের অনুষ্ঠিতব্য সাফটি ২০২১-এ অনুষ্ঠিত হবে। হোম ভেন্যুতে হবার কারণে এবার আমাদের ভালো সুযোগ রয়েছে। আমি মনে করি আমাদের প্রস্তুতির ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার জন্য আমরা এই বাড়তি সময়ে অনেক বেশি কাজ করতে পারব।’
করোনাভাইরাসের কারণে মার্চ থেকেই দেশে সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম বন্ধ। লিগ এবং মৌসুম স্থগিত করা হয়েছে আগেই। ফুটবলারদের চাওয়া এখন দ্রুতই যেন নতুন মৌসুম মাঠে গড়ায়।
স্থগিত থাকা বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের যৌথ বাছাইয়ে বাংলাদেশের বাকি ম্যাচগুলো হবে অক্টোবর-নভেম্বরে। এ জন্য আগস্ট থেকে জাতীয় দলের ক্যাম্প করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
