নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় এসটিসি ব্যাংক গ্রাহকদের আমানত নিয়ে উধাও হেয় গেছে। এ নিয়ে মদন উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের ব্যাংকের চেয়ারম্যান মির্জা আতিকুর রহমান ওরফে বিপুলকে প্রধান আসামিসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে পুর্বধলা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
অন্য আসামিরা হলো খোকন (৪৫), আবু তাহের (৩৫), মিনি আক্তার (২৪) মোজাফফর (২৮), সৈকত আহম্মেদ (২১) ও তৌফিক (১৭)। প্রধান আসামি ছাড়া বাকিরা সবাই ওই ব্যাংকের পূর্বধলা শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারী।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা সদরের মৃত হরেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে রাখাল চন্দ্র দাস এই অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী সোমবার সকাল ১০টায় ব্যাংকে এসে দেখতে পানতা তালাবদ্ধ। অনেক গ্রাহক সেখানে অপেক্ষা করছিলেন এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খোঁজাখুঁজি করছিলেন। অভিযোগকারী আসামিদের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলে তারা কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করে।
এতে আরো বলা হয়, পরবর্তীতে অভিযোগকারী ও অন্যান্য গ্রাহকরা পূর্বধলার সমবায় কার্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন এসটিসি ব্যাংক লিমিটেড নামে কোনো আর্থিক লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে অনুমোদন পায়নি। এসটিসি নামে কোনো তফসিলি ব্যাংকও নাই। প্রধান আসামি তার কর্মকর্তা-কর্মচারী দ্বারা প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে অর্থ সংগ্রহ করে আত্মসাৎ করেছে। একইভাবে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের কারণে পূর্বধলার শ্যামগঞ্জ ও নেত্রকোনা সদরে তাদের শাখা অফিস বন্ধ হয়ে গেছে।
অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায, অভিযুক্তসহ আরো অনেকেই হাজার হাজার টাকা জমা রেখেছেন। তাদের জমার বিপরীতে দ্বিগুণ হারে ঋণ দেওয়া হবে এই আশ্বাসে এই ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আমানত সংগ্রহ করে গ্রাহকদের নিঃস্ব করেছেন।
পূর্বধলা থানার ওসি মো. তাওহীদুর রহমান এ ব্যাপারে বলেন, মামলা রুজু হয়েছে আমরা দুজনকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করেছি, বাকিদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।
