চব্বিশ ঘণ্টার হিসেবে টানা ১২ দিন পর ৬০ হাজারের কম করোনারোগী শনাক্ত হলো যুক্তরাষ্ট্রে। তবে সংক্রমণ খুব একটা কমেনি। ষাট হাজারের ঘরের আশপাশেই আছে।
জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার রাত সাড়ে আটটা (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টা০) পর্যন্ত চব্বিশ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে ৫৭ হাজার ৩৯ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
তাতে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৮৬ হাজার ৬৬৩ জনে, যা বিশ্বের মোট আক্রান্তের প্রায় এক-চতুর্থাংশ।
আক্রান্তদের মধ্যে নতুন করে মৃত্যু হয়েছে আরও ৬৭৯ জনের। তাতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮৮ জন। আক্রান্তের মতো মৃত্যুর তালিকায়ও অনেক আগে থেকে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র।
বসন্তের শেষ দিকে করোনার সংক্রমণ বেশ কমেছিল যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকে। বিশেষ করে পশ্চিম ও দক্ষিণের অঙ্গরাজ্যগুলোতে। ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, আলাবামা ও ফ্লোরিডা থেকে রেকর্ড সংক্রমণের খবর আসতে থাকে।
রবিবার পর্যন্ত টানা ১২ দিন ৬০ হাজারের বেশি সংক্রমণ দেখে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে একাধিক বার আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ হাজারের কোটাও ছাড়িয়েছে। টানা চার দিন হাজারের বেশি মৃত্যুও দেখেছে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশটি।
ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসেব মতে, যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত-মৃত্যুর সংখ্যাটা আরও বেশি। আক্রান্ত ৪৪ লাখ ৩৩ হাজার ছাড়িয়েছে। আর মৃত্যুর সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ২১ লাখ ৩৬ হাজার। ‘অ্যাকটিভ’ করোনারোগী আছে ২১ লাখ ৪৬ হাজার।
আক্রান্ত-মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ব্রাজিল। ২৪ লাখ ৪৩ হাজার আক্রান্ত, মৃত্যু ৮৭ হাজার।
ভারত আক্রান্তের তালিকায় তৃতীয়স্থানে ১৪ লাখ ৮২ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত্যুর তালিকায় আছে ষষ্ঠস্থানে ৩৩ হাজার ৪৪৮ জন।
এদিকে, বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত ১ কোটি ৬৬ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৫৬ হাজার মানুষের। সুস্থ হয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ মানুষ। ‘অ্যাকটিভ’ করোনারোগী আছে ৫৭ লাখ ৫৪ হাজার।
