লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসান রকির দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। সাতটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করতে এসে তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও কিছু অনিয়মের লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ পেয়েছেন।
গত বুধবার পাটগ্রাম উপজেলা সমবায় কার্যালয়ে অভিযোগের তদন্ত শুরু করেন রংপুর বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের উপ-নিবন্ধক মুহা. শাহীনুর ইসলাম। তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শাহীনুর ইসলাম এসব কথা বলেন। এ সময় উপ-সহকারী নিবন্ধক ও লালমনিরহাট জেলা সমবায় কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ফরিদ উদ্দিন সরকার উপস্থিত ছিলেন।
শাহীনুর ইসলাম বলেন, সাতটি অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা এই তদন্ত করতে এসেছি। অভিযোগকারীরা দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন কাগজপত্র সরবরাহ করেছেন। আমরা কাগজপত্রগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখেছি। এসব কাগজপত্র নিয়ে আমরা আরও যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করে শিগগিরই ঊর্ধ্বতন মহলকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। তিনি আরও বলেন, একজন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হিসেবে তার (হাসান রকি) বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বাইরেও আমরা আরও অনেক অভিযোগ পেয়েছি। সব অভিযোগই যাচাই-বাছাই করেই আমরা তদন্ত প্রতিবেদন দেব। অভিযোগকারীরা ন্যায়বিচার পাবেন বলেও আশ^স্ত করেন তিনি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসান রকির বিরুদ্ধে সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক বরাবর আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করে রংধনু ভোগ্যপণ্য সমবায় সমিতি নামের একটি প্রতিষ্ঠান।
লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৪ জুলাই দেশ রূপান্তর পত্রিকায় ‘পাটগ্রামে সমবায় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। এর প্রেক্ষিতে রংপুর বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের যুগ্ম নিবন্ধকের আদেশে গত ২৬ জুলাই রংপুর বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ের উপ-নিবন্ধক মুহা. শাহীনুর ইসলামকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়।
