সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ভার্চ্যুয়াল স্মরণসভা করেছে বিএনপি।
সভায় বক্তারা মাহবুব আলী খানের কর্মময় জীবন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বক্তারা বলেন, তার দায়ীত্বকালে সুন্দরবন ডাকাতমুক্ত হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের নৌসীমা রক্ষায় দেশের স্বার্থে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়েছেন। দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের দখল তার মধ্যে অন্যতম ঘটনা। তৎকালীন সময়ে সামরিক কূটনীতিতেও তার অবদান স্মরণীয়। তার প্রচেষ্টায় সামরিক বাহিনী অধুনিক অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত হয়।
সাবেক নৌবাহিনীর প্রধান ও ভাষা সৈনিক রিয়ার মাহবুব আলী খান ১৯৮৪ সালে ৬ আগস্ট মারা যান। ১৯৭৯ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান ছিলেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ও পরিচালনা করেন। মাহবুব আলী খান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের বাবা।
স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও সাবেক বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্পাদক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান, সদস্য মীর হেলাল, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেকসহ বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান।
স্মরনসভায় পাশা খন্দকারের সঞ্চালনায় বক্তারা মাহবুব আলী খানের কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা করেন।
সিলেটের নেতারা বলেন, তার মৃত্যুতে সিলেট হারিয়েছে একজন অভিভাবক। সবশেষে স্মরণসভায় মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
মাহবুব আলী খানের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শাহজালাল দরগাহ মসজিদে দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরণ করা হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
