করোনা (কভিড-১৯) মহামারির প্রেক্ষিতে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
রবিবার বিকেলে স্থায়ী কমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইতিপূর্বে সাংগঠনিক কার্যক্রম গত ১৫ আগস্ট ২০২০ শনিবার পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছিল। সন্ধ্যায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তক্রমে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
দেশব্যাপী সকল স্তরের ইউনিট সমূহের নেতৃবৃন্দকে সংশ্লিষ্ট কমিটির সকল পর্যায়ের নেতা ও সদস্যদের সঙ্গে মোবাইল ও ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
বৈঠক শেষে স্থায়ী কমিটির এক সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, তারা দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
জাতীয় সংসদের পাঁচ শূন্য আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলে সর্বশেষ করোনা ও বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা।
স্থায়ী কমিটির ওই সদস্য আরও বলেন, শনিবার রাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় গিয়েছিলেন। তার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিয়েছেন। তার নির্দেশনা স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
সভায় লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নিয়ে সভাপতিত্ব করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে অংশ নেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
