২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদানে পূর্ণদৈর্ঘ্য ১৬টি চলচ্চিত্রকে অনুদান দেয়া হয়েছে।এর মধ্যে ‘আশীর্বাদ’ নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদান পেয়েছে। অনুদানের এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করবেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।
চলচ্চিত্র অনুদান পাওয়ার পর থেকেই আলোচনা চলতে থাকে ‘আশীর্বাদ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়শিল্পী কে কে থাকছেন? সিনেমার প্রধান নায়ক-নায়িকা কে? ইত্যাদি। শুরুতে অনেক নাম শোনা গেলেও অবশেষে আজকে অপু বিশ্বাসকে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে চূড়ান্ত ভাবে ‘আশীর্বাদ’ সিনেমায় অভিনয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত করলেন এই সিনেমার প্রযোজক জেনিফার ফেরদৌস।
১৬ আগস্ট বিকেলে হোটেল সোনারগাঁওয়ে চুক্তিপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। সিনেমাটি প্রযোজনার পাশাপাশি এই সিনেমার কাহিনি ও চিত্রনাট্যও লিখছেন জেনিফার ফেরদৌস। ‘আশীর্বাদ’সিনেমার সংলাপ লিখেছেন আবদুল্লাহ জহির বাবু।
নতুন সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে নায়িকা অপু বিশ্বাস বলেন, ‘ অনেক ভালো লাগছে নতুন সিনেমায় কাজ করতে পেরে। লকডাউনের সময় আমরা নিরাপদে ছিলাম ভালো ছিলাম কিন্তু আবারও কাজে ফিরতে পারব সেটা ভাবিনি। নতুন করে কাজে ফিরতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে। নতুন সিনেমায় কাজ করছি দর্শকেরা সব সময় যেভাবে আমার পাশে ছিলেন আশা রাখছি এভাবে আপনরা সব সময়ই আমার পাশে থাকবেন। আমরা প্রযোজক বলতে সব সময় মনে করি একজন পুরুষকে। কিন্তু আমার সিনেমার প্রযোজক কোনো পুরুষ নয়, একজন নারী তার নাম জেনিফার ফেরদৌস। এটা খুব ভালো লাগছে নারীরা সিনেমায় প্রযোজনা করছেন। প্রযোজক যে পুরুষ হতে হবে এই ধারাটা পরিবর্তন এসেছে সেটাও ভালো লাগছে,যে আমার সিনেমার প্রযোজক একজন নারী।’
সিনেমার প্রযোজক জেনিফার ফেরদৌস বলেন, ’সিনেমার প্রধান চরিত্রে নায়িকা হিসেবে অপু বিশ্বাসকে চূড়ান্ত করে চুক্তিবদ্ধ করলাম। বাকী অভিনয়শিল্পীদের খুব শিগগিরই চূড়ান্ত ভাবে নাম ঘোষণা করা হবে। শুটিং শুরুর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আশীর্বাদ’ সিনেমার পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে। ইচ্ছে আছে চলতি মাসের শেষের দিকে শুটিং শুরু করব। আর সেটা যদি সম্ভব না হয়,তাহলে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু করব।’
পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক মানিক বলেন, ‘সবকিছুই গুছিয়ে নিচ্ছি। প্রি-প্রোডাকশনের কাজ বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। আজ নায়িকা চূড়ান্ত হলো। আশা করছি শিগগিরই শুটিং শুরু করতে পারব।’
