ভারতের রাজধানী দিল্লির দাঙ্গায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্টে তারা জানিয়েছে, দাঙ্গায় পুলিশ মানবাধিকার লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল।
দাঙ্গায় ইন্ধন জোগানোর অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে দিল্লি পুলিশের জবাবদিহি চেয়েছে সংস্থাটি। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো উত্তর দেয়া হয়নি।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে উত্তর-পূর্ব দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়। বেশ কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করে। পাড়ার পর পাড়া আগুনে পুড়ে যায়। ৪০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হন শতাধিক মানুষ।
অভিযোগ, এই দাঙ্গায় মদত দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শাসক দলের কোনো কোনো নেতা। তাদের সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক বক্তব্য স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়েছিল। দিল্লির শাসক দলের এক নেতার ভূমিকাও পরবর্তী সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তবে বার বার প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে।
বস্তুত দাঙ্গার কয়েকদিন আগে থেকেই দিল্লি পুলিশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যেভাবে রাতের অন্ধকারে ক্যাম্পাসে ঢুকে পুলিশ নির্যাতন চালিয়েছিল, তা নিয়ে এখনও আলোচনা হয়।
জেএনইউ ক্যাম্পাসের গন্ডগোলে পুলিশের ভূমিকাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। তবে দিল্লি দাঙ্গায় বেশ কিছু ফুটেজে পুলিশকে সরাসরি দাঙ্গাকারীদের সাহায্য করতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ।
