আওয়ামী লীগের আমলে দেশে গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাসে বাকশাল, দুর্ভিক্ষ শুধু এগুলোই আছে। তাদের ইতিহাসে শুধু বিরোধী দলের ওপর নিপীড়ন নির্যাতন, মানুষ হত্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যা। এ জন্য বিএনপির প্রতি তাদের এত বিদ্বেষ।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে এক অনুষ্ঠানে রিজভী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেছেন, ১৫ আগস্টের সময় জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় কর্মকর্তা ছিলেন। কিন্তু ১৫ আগস্ট রাত পর্যন্ত যারা মন্ত্রী ছিলেন, তারা গিয়ে শপথ নিলেন খন্দকার মোশতাকের কেবিনেটে। খন্দকার মোশতাকের ক্যাবিনেটের ২৩ জন মন্ত্রীর মধ্যে ২২ জন বাকশালের মন্ত্রী ছিলেন।
রিজভী বলেন, ‘মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাকশালের মন্ত্রিসভা ছিল। সেই মন্ত্রিসভার মন্ত্রীরা মোশতাকের কেবিনেটে শপথ নিলেন। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর তিনজন প্রধান খন্দকার মোশতাকের কাছে গিয়ে আনুগত্য প্রকাশ করলেন; জিয়াউর রহমান তো যাননি।’
তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর সিপাহি বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান এ দেশের রাজনীতি ও প্রশাসনের ক্ষমতায় আবির্ভূত হন। তারপর আওয়ামী লীগ যত অপকর্ম করেছে, সেখান থেকে শুভদিক যেটা সেখানে তিনি দেশকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন।
রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করেছে, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছেন। তারা গণমাধ্যম বন্ধ করে দিয়েছে, জিয়াউর রহমান তা খুলে দিয়েছেন। এই যে পার্থক্যটা একটি ইতিবাচক, ন্যায়ের পক্ষে গণতন্ত্রের পক্ষে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ-সাংগঠনিক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আবদুর রহিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
