বিরামহীন পড়াশোনায় বিরক্তি আসে; পড়তে ইচ্ছে করে না। এই বিরক্তি ও একঘেয়ে ভাব তাড়াতে হবে। জানিয়েছেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী গাজী ইমরান
জায়গা বদল : স্মৃতির সঙ্গে জায়গার একটা ভালো যোগাযোগ আছে। এ সম্পর্কটা কাজে লাগাতে পারো পড়ার বেলায়ও। সব পড়া লাইব্রেরি বা রিডিংরুমের আরামদায়ক চেয়ারে না পড়ে মাঝেমধ্যে স্কুলের বারান্দা, বাসার ব্যালকনি, ছাদের দোলনা ইত্যাদিকেও কাজে লাগাতে পারো।
বন্ধুত্ব : মাঝেমধ্যে মনে হতেই পারে যে, বন্ধুদের চেয়ে তুমি অনেক বেশি বোঝো; তাদের সঙ্গে পড়া নিয়ে আলাপ করার কিছু নেই। এ ধারণা ভুল। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাচ্ছলে গ্রুপস্টাডি করলে দেখবে, তোমার সৃজনশীল চিন্তার দুয়ার খুলে যাচ্ছে পটাপট। বন্ধুর উপকার তো হলোই, আবার দেখা গেল কোনো একটা বিষয় যা তুমি জানতে না, সেটাও জেনে যাচ্ছ।
ধাঁচ বদল : অনেকেই আছে নিজেকে একটা ধাঁচের মধ্যে আটকে ফেলতে পছন্দ করে। তবে স্কুল-কলেজে পড়াশোনার ক্ষেত্রে নিজেকে কোনো একটি ভাগে ফেলে না দেওয়াই ভালো। পড়ার স্টাইল বা চিন্তার ধরনে যত বৈচিত্র্য আনতে পারবে ততই সহজ হয়ে আসবে কঠিন সব সূত্র।
বিরতি : আগে মনে করা হতো কোনো একটা বিষয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একনাগাড়ে পড়ে থাকলে সেটার ওপর রীতিমতো পণ্ডিত হয়ে যাওয়া সম্ভব। এক গবেষণায় দেখা গেছে, খানিকটা বিরতি দিয়ে এটা-ওটা পড়লেই মস্তিষ্ক সচল থাকে বেশি। একটা বিষয়ে দারুণ দক্ষ হতে গেলেও কিন্তু অন্য বিষয়ের ওপর খানিকটা হলেও দখল থাকা চাই। যেমন ভালো অ্যাপ ডেভেলপার হতে গেলে শুধু প্রোগ্রামিং জানলেই তো হবে না, বাস্তব জীবনের মানুষের নানামুখী সমস্যা নিয়েও ভাবতে হবে।
