কুষ্টিয়া মডেল থানার কলেজছাত্র আসলান জেলিন হত্যার দায়ে তুষার আহম্মেদ ওরফে কানা তুষারের (১৬) ১০ বছর কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান জনাকীর্ণ আদালতে আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত তুষার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার এনএস রোডের করিম মঞ্জিলের বাসিন্দা ফরিদ আহম্মেদের ছেলে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম জানান, ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টায় কুষ্টিয়া শহরের হেমচন্দ্র লেনের বাসিন্দা মাহবুব ইসলামের ছেলে সরকারি কলেজ একাদশ শ্রেণির ছাত্র আসলান জেলিনকে কলেজ থেকে ডেকে নিয়ে যায় আসামি তুষার আহম্মেদ ওরফে কানা তুষার। তাকে শহরের বাবুর আলী গেটের সন্নিকটে তুহিন কনফেকশনারির পেছনে নিয়ে ধারালো চাকু দিয়ে উপর্যুপরি আঘাতে রক্তাক্ত জখম করে। ঘটনাস্থল থেকে আসলান জেলিনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় নিহতের বাবার করা হত্যা মামলার দীর্ঘ সাক্ষ্য শুনানি শেষে আসামি তুষার আহম্মেদ ওরফে কানা তুষারের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীত প্রমাণিত হওয়ায় পেনাল কোডের ৩০২ধারা মোতাবেক মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন সাজা হওয়ার কথা। কিন্তু আসামির বয়স বিবেচনায় কিশোর বয়সী হওয়ায় তাকে ১০ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
