বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) তৈরি হচ্ছে দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। ১১ তলাবিশিষ্ট হাসপাতালের সব ফ্লোরের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এছাড়া ব্রিক ওয়ার্ক (ইটের কাজ) শেষ হয়েছে ৭৫ শতাংশ। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর দিকে ১২ বিঘা জমির ওপর এক হাজার শয্যার হাসপাতালটি নির্মাণ করা হচ্ছে। দেশের প্রথম সেন্টার বেইজড চিকিৎসাসেবা চালু হবে এখানে। বর্তমানে সিঙ্গাপুর, কোরিয়াসহ বিশ্বের অধিকাংশ উন্নত দেশে সেন্টার বেইজড চিকিৎসাসেবা পদ্ধতি চালু আছে। এই হাসপাতালে থাকবে স্পেশালাইজড অটিজম সেন্টারসহ ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার, ইমার্জেন্সি মেডিকেল কেয়ার সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সেন্টার, কার্ডিও ও সেরিব্রো ভাসকুলার সেন্টার, কিডনি সেন্টার, রেসপিরেটরি মেডিসিন সেন্টার, জেনারেল সার্জারি সেন্টার, অফথালমোলজি/ডেন্টিস্ট্রি/ডার্মাটোলজি সেন্টার এবং ফিজিক্যাল মেডিসিন/রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার। এ হাসপাতালে কিডনি ও লিভার ট্রান্সপ্লান্টের সুবিধা থাকবে।
জনগণের জন্য বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদিত হয়। দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সহযোগিতায় হাসপাতালটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া হাসপাতাল নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন ও পরে এ সংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোবিলিয়ারি, প্যানক্রিয়েটিক অ্যান্ড লিভার ট্রান্সপ্লান্ট সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. জুলফিকার রহমান খান প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে অবহিত করেন।
