ভিক্ষাবৃত্তি, চাঁদাবাজি কিংবা বাজারে তোলা তুলে আর জীবনযাপন করতে চান না শেরপুরের হিজড়া সম্প্রদায়ের মানুষ। ক্ষুন্নিবৃত্তির জন্য সম্মানজনক পেশায় কর্মসংস্থানের সুযোগ চান শেরপুরের তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) জনগোষ্ঠীর লোকজন।
সরকারি-বেসরকারি যে কোন প্রতিষ্ঠানে পিয়নের চাকরি, টেইলারিং, গাড়িচালনা, দোকান পরিচালনা, বিউটি পারলার, বাজারের ঝাড়ুদার-এমন যেকোনো কর্মে নিয়োজিত হতে চান তারা।
শেরপুরে বুধবার তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ভাবনা বিষয়ক এক সভায় হিজড়ারা আত্মকর্মের প্রশিক্ষণ ও উপযুক্ত কর্মসংস্থানের দাবি তুলে ধরেন তারা।
শেরপুর সরকারি কলেজ মিলনায়তনে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম জনউদ্যোগ শেরপুর কমিটি, জেলা হিজড়া কল্যাণ সংস্থা ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আইইডি যৌথভাবে এ ভাবনা বিনিময় সভাটির আয়োজন করে।
হিজড়া কল্যাণ সংস্থার সভাপতি নিশি আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি সঞ্চালনা করেন জনউদ্যোগ আহ্বায়ক শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ। এতে শেরপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুর রশীদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেরপুর সদর সার্কেল মো. আমিনুল ইসলাম, সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন, ব্র্যাক জেলা প্রতিনিধি ফারহানা মিল্কী, নারী উদ্যোক্তা আইরিন পারভিন, শ্রেষ্ঠ ইমাম পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজ শাহীন, জেলা উদীচী সভাপতি তপন সারোয়ার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সভায় জেলার তৃতীয় লিঙ্গের ৪০ জন হিজড়া ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিক, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিকগণ অংশগ্রহণ করেন।
