ঠাকুরগাঁওয়ে টানা বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ঘর চাপা ও বজ্রপাতে নিহত ৩

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩৪ পিএম

টানা ৬ দিনের বর্ষণে ঠাকুরগাঁওয়ের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শনিবার বজ্রপাতে ২জন এবং ঘর চাপা পরে একজন মারা গেছেন।

সদর উপজেলার ভেলাজান গ্রামে এদিন দুপুরের দিকে প্রবল বৃষ্টিতে মাটির ঘর ভেঙে মতিউর রহমান (৬০) নামে এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হন। তাকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়ার পর বিকেলে মারা যান।

এদিকে বর্ষণ চলাকালে বজ্রপাতে রানীশংকৈল উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের নাসিরুল ইসলামের ছেলে রনি (১০) ও আবুল কালামের ছেলে আলিম (২৫) প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন সিরাজুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রউফ। তারা তিনজনই বিকেলে স্থানীয় একটি বিলে মাছ ধরতে গিয়েছিল বলে জানায় স্থানীয়রা।

গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টিতে জেলা ৫ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পরেছে। পরিবারগুলোকে শহরের বেশ কয়েকটি স্কুল ও শিল্পকলা একাডেমিতে সরিয়ে আনা হয়েছে। তবে সেখানে আশ্রয় গ্রহণকারী পরিবার গুলো ঘর থেকে কিছু আনতে না পারায় খাদ্য সংকটে পরেছে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের কোন খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

পৌর শহরের কলেজপাড়া, আদমনগর, ডিসি বস্তি, হঠাৎ বস্তি, খালপাড়া, জমিদারপাড়ার একাংশ, টিকাপাড়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শহরের টাঙ্গন, শুক, সেনুয়া নদীর পানি বিপদ সীমার খুব কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামারুজ্জামান সেলিম বজ্রপাত ও ঘর চাপায় তিনজন মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্ষণে নিচু এলাকা ডুবে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। ডুবে যাওয়া পরিবার গুলিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রতি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত