সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে যোগাযোগ হওয়া ৯ ব্যক্তিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে জাপানের এক ব্যক্তি। তাকাহিরো শিরাইশি নামে ওই অভিযুক্ত ‘টুইটার কিলার’নামে পরিচিত। বিবিসির খবর।
আদালতে তাকাহিরোর আইনজীবী দাবি করেছেন, কাউকে বিনা অনুমতিতে খুন করেননি তিনি। মৃত্যুর আগে ওইসব ব্যক্তিরা খুনের অনুমতি দিয়েছেন তাকাহিরোকে।
তিন বছর আগে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন তাকাহিরো। বুধবার তাকে আদালতে তোলা হয়। এদিন স্বীকার করেন, টুইটারে যোগাযোগ করে ৯ জনকে হত্যা করেছেন তিনি।
তবে তার দাবি, প্রত্যেকের ‘সায়’ ছিল বলেই তাদের খুন করেছে তাকাহিরো। নিহতেরা কখনও না কখনও সামাজিক মাধ্যমে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।
ফলে খুনের মামলার বদলে তার বিরুদ্ধে ‘অনুমতি নিয়ে খুনের’ মামলা হোক এমনটিই দাবি তার, যার শাস্তি ছয় থেকে সাত বছর কারাবাস।
জানা যায়, ২৩ বছরের এক তরুণী টুইটারে আত্মহত্যার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন কয়েক বছর আগে। সেই সূত্র ধরেই বেরিয়ে আসে তাকাহিরোর নাম।
টুইটার থেকেই তাকাহিরোর নাম-পরিচয় উদ্ধার করে গোয়েন্দা ও পুলিশ কর্মকর্তারা। ২০১৭ সালে পুলিশ তার বাড়ি গিয়ে সেখান থেকে ৯টি ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে। কুলার ও টুলবক্সের ভেতরে ছিল ২৪০টি হাড়।
পুলিশ জানায়, আত্মহত্যাপ্রবণ লোকেদের সঙ্গে বিভিন্ন আত্মহত্যামূলক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ করতেন তাকাহিরো। তার টুইটার অ্যাকাউন্টে লেখা, ‘কষ্টে থাকা মানুষদের আমি সাহায্য করতে চাই।’
টুইটার কিলারের বিরুদ্ধে রয়েছে ধর্ষণের অভিযোগও। জাপানের আইন অনুযায়ী ফাঁসি হতে পারে তার।
