একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে ‘বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় মহাত্মা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধুর অবদান’ শীর্ষক এক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার মহাত্মা গান্ধীর ১৫২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এ ওয়েবিনারে নির্মূল কমিটির সভাপতি লেখক-সাংবাদিক শাহরিয়ার কবিরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের বুদ্ধিজীবী, সমাজকর্মী ও গান্ধীবাদী নেতারা অংশগ্রহণ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে শাহরিয়ার কবির বিশ্বশান্তির পক্ষে মহাত্মা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন উক্তি-ভাষণ উদ্ধৃত করে বলেন, ‘যুদ্ধ, গৃহযুদ্ধ, ছায়াযুদ্ধ, সন্ত্রাস ও ঘৃণা-বিদ্বেষে জর্জরিত বর্তমান বিশ্বে শান্তি ও সম্প্রীতির বাতাবরণ তৈরি করতে হলে মহাত্মা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধুর জীবনদর্শনের চেতনায় তরুণ প্রজন্মকে আলোকিত করতে হবে।’
ওয়েবিনারের প্রধান বক্তা ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘মহাত্মা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধু দুজনেই শান্তির ধারণাকে অহিংসা, মানবাধিকার, ধর্মনিরপেক্ষতা, সম্প্রীতি, পরিবেশ ও উন্নয়নের বৃহত্তর পরিসরে স্থাপন করেছিলেন। মহাত্মা গান্ধী ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও প্রকৃতির ভারসাম্য থেকে শান্তিকে আলাদা করে দেখেননি।’
ব্রিটিশ গান্ধীবাদী সমাজকর্মী জুলিয়ান ফ্রান্সিস বলেছেন, ‘এ প্রশ্ন খুব স্বাভাবিক বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি অবলোকন করলে গান্ধীর প্রতিক্রিয়া কী হতো।’ আরও বক্তব্য রাখেন গান্ধী গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ, ভারতের গান্ধী পিস ফাউন্ডেশনের সভাপতি মানবেন্দ্র নাথ মণ্ডল, সর্বভারতীয় সত্যাগ্রহী মণ্ডলীর সভাপতি চন্দন পাল, ভারতের কর্ণাটকের বিশিষ্ট গান্ধীবাদী শিক্ষাবিদ ড. আবিদা বেগম।
