করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও মাধবপুর লেকে পর্যটকের প্রবেশ নিষেধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন আগত পর্যটকরা।
ফলে এ পর্যটনকেন্দ্রগুলোর ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে বাইরে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করছেন পর্যটকরা।
রবিবার দুপুরে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রধান ফটক তালাবদ্ধ থাকায় ও নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্কতায় সেখানে কোনো পর্যটক প্রবেশ করতে পারেননি। তবে বিভিন্ন স্থান থেকে মোটরসাইকেল, সিএনজি-অটোরিকশা, ব্যক্তিগত কার, মাইক্রোবাস ও পিকআপে করে আসা পর্যটকরা উদ্যানের বাইরের প্রধান সড়কে ঘোরাঘুরি করে ছবি তুলেছেন। এ সুযোগে কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ দোকানও বসেছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের কার পার্কিং এলাকায়।
লাউয়াছড়ায় ঢাকা থেকে আসা হাবিবুল্লাহ ও সুমন আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় দেশের সকল পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে অনেক পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা জানতাম না লাউয়াছড়া এখনো বন্ধ রয়েছে। শুধু শুধু এসে দুর্ভোগে পড়লাম।’
তবে মাধবপুর লেকে দেখা যায়, মাধবপুর চা বাগানের ২টি স্থানে যে ফটক রয়েছে সেখানে পর্যটকদের ব্যবহৃত যানবাহন আটকিয়ে কিছু পর্যটকদের পায়ে হেঁটে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। বাকি পর্যটকরা চা বাগনের ভেতরে হাঁটছেন ও ছবি তুলছেন। তাছাড়া স্থানীয় শিল্পিরা গান ও বাশি বাজিয়ে পর্যটকদের আর্কষণ করছেন।
লাউয়াছড়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি নির্দেশনায় লাউয়াছড়া উদ্যানে পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। গত ৭ মাস ধরে বন্ধের কারনে সরকার প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারিয়েছে। দেশের অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রগুলোর মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাউয়াছড়া উদ্যানও খুলে দেওয়া উচিত।’
