গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত শনিবার কোটালীপাড়া উপজেলার ধারাবাশাইল গ্রামের ইব্রাহিম হাওলাদারের মাছের ঘেরে ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ভিডিও করে রাখা হয়। আবার যখন ডাকবে তখন না আসলে ও ধর্ষণের কথা কাউকে বললে ধারণকৃত ভিডিও ফেইসবুকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয় ওই অভিযুক্ত ও তার বন্ধু।
এই ঘেরটির মালিক ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণকারী ও ধর্ষণে সহায়তাকারী মাসুদ হাওলাদারের বাবা ইব্রাহিম হাওলাদার।
এ ঘটনায় গতকাল সোমবার দুপুরে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা কোটালীপাড়া উপজেলার পিনজুরী ইউনিয়নের কাশাতলী গ্রামের ডালিম দাঁড়িয়া বাদী হয়ে কোটালীপাড়া থানায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন।
এদিকে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে, পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে কাজ করছে বলে জানা গেছে।
মামলায় পূর্ণবতী গ্রামের মহাসিন উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে ধর্ষণে অভিযুক্ত আলী হোসেন হাওলাদার ও একই গ্রামের ইব্রাহিম হাওলাদারের ছেলে ধর্ষণে সাহায্যকারী মাসুদ হাওলাদারকে আসামি করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সহকারী পরিচালক অসিত মল্লিক জানান, ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।
কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ লুৎফর রহমান জানান, গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
