স্কুলমাঠের গাছ কেটে বিক্রি করলেন প্রধান শিক্ষক

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২০, ১১:০৫ পিএম

সীতাকুন্ডের ভাটিয়ারী ইমাম নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্ধশত বছরের পুরনো দুটি বাদামগাছ কেটে ফেলা হয়েছে। অথচ স্কুলের শিক্ষার্থীরা ওই গাছের নিচে খেলাধুলা ও বিশ্রাম নিত। এ গাছের নিচে বসে অভিভাবকরা সন্তানের জন্য অপেক্ষা করতেন। গাছগুলো কেটে ফেলার ফলে স্কুল খোলার পর শিক্ষার্থীরা ছায়াদানকারী ওই পুরনো গাছগুলো দেখবে না। অভিভাবকরা আগের মতো বসতে পারবে না গাছের ছায়াতলে।

করোনাকালীন স্কুল বন্ধ থাকার সুযোগে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে গত মঙ্গলবার গাছটি অন্যত্র বিক্রি করার অভিযোগ করে স্থানীয়রা। গাছ কাটার বিষয়টি স্কুলের কমিটির অধিকাংশ সদস্য জানেন না। অসুস্থতার কারণে বন্ধ আছে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতির মোবাইল নাম্বারও।

এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সালমা আকতারকে ফোন দিলে গাছ কাটার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো জবাব না দিয়ে ফোন কেটে দেন তিনি।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নুরোচ্ছোফা জানিয়েছেন, স্কুলের গাছ কাটতে হলে নিয়ম মোতাবেক অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা কোনো অনুমোদন না নিয়ে গাছটি কেটেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন রায় বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গাছ কাটতে হলে স্কুল কমিটি রেজুলেশন আকারে বিষয়টি আমাকে জানাতে হবে। ওই বিদ্যালয়ে গাছ কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয় বাসিন্দা জহির চৌধুরী বলেন, যে গাছগুলো কাটা হয়েছে তা অর্ধশত বছরের পুরনো। করোনাকালীন স্কুল বন্ধের সুযোগে প্রধান শিক্ষিকা আর্থিক সুবিধা নেওয়ার জন্য এ গাছগুলো কেটেছেন। স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য ও স্থানীয় মেম্বার আলমগীর মাসুম বলেন, গাছের বিষয়টি জানি না। একই কথা বলেছেন স্কুল পরিচালনা কমিটির অন্য সদস্য জাফর আহমেদ চৌধুরীও।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত