নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলার তদন্তভার দেয়া হচ্ছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)।
জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেন বৃহস্পতিবার রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এসপি জানান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশনা অনুযায়ী শিগগিরই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে ভুক্তভোগীর দায়ের করা দুটি মামলা পিবিআইতে স্থানান্তর করা হবে।
নির্যাতনের শিকার ওই নারী বাদী হয়ে গত রবিবার রাতে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দুটি দায়ের করেন। দুই মামলার এজাহারে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায় এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর মধ্যে এজাহারভুক্ত ৬ জন এবং তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে ৫ জনকে।
মামলার দুই আসামি বৃহস্পতিবার ৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
এদিন এ দুই মামলার তিন নম্বর আসামি আবুল কালামের ৬ দিন এবং এক মামলায় মাঈনুদ্দিন সাহেদের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই নারীর ঘরের ভেতর ঢুকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে মধ্যযুগীয় কায়দায় বিবস্ত্র করে নির্যাতন করে ভিডিও ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে গত ৪ অক্টোবর ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
নির্যাতনের ঘটনার ৩৩ দিন পর ১৯ জনকে আসামি করে ৪ অক্টোবর রাত ১টার দিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন নির্যাতিতা গৃহবধূ।
