বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, কেবল কঠোর আইন করলেই ধর্ষণ বন্ধ হবে না, আইনের প্রয়োগটাই গুরুত্বপূর্ণ।
সোমবার সারা দেশে অব্যাহত ধর্ষণ-নারী নির্যাতন বন্ধের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রিসভা ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করতে আইন সংশোধনে সায় দেওয়ার বিষয়ে গয়েশ্বর বলেন, মন্ত্রিসভা ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন সংশোধনে সায় দিয়েছে। কিন্তু ধর্ষণের অপরাধের শাস্তি যদি মৃত্যুদণ্ড হয়, তাহলে কি কালকে থেকে এই অপকর্ম বন্ধ হয়ে যাবে? বন্ধ হবে না। আইন কাগজের মধ্যে থাকলে চলবে না, আইনের প্রয়োগ থাকতে হবে। প্রশাসনকে জনগণের পক্ষে আইনের দৃষ্টিতে জনগণকে সুরক্ষা দিতে হবে, জনগণের পাশে থাকতে হবে।
দেশে এখন আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই দাবি করে তিনি বলেন, এ কারণেই অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। ক্রিমিনাল কোডে লেখা আছে- কতটুকু অপরাধের জন্য কতটুকু শাস্তি। আইনের শাসন থাকলে কিন্তু আমরা সেই ক্রিমিনাল কোড প্রয়োগ করতে পারি। আইনের শাসন নাই বলেই প্রশাসনের জবাবদিহিতা নাই, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নাই। বিচার বিভাগ স্বাধীন সংবাদপত্রের মতো, কিন্তু বিচারকেরা স্বাধীন না। এসকে সিনহা প্রধান বিচারপতি থাকা অবস্থায় তাকে কীভাবে দেশ ছেড়ে যেতে হলো! এ সময় ধর্ষণ বন্ধে সব নাগরিককে সমস্বরে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান গয়েশ্বর।
জাসাস নেতা মীর সানাউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মামুন আহমেদ, জাসাস কেন্দ্রীয় নেতা আহসান উল্লাহ চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম, লিয়াকত আলী, শরীফ মাহমুদুল হক, আরিফুর রহমান মোল্লা, জাকির হোসেন রোকন প্রমুখ।
