স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে ১ কোটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে বৃহস্পতিবার বৃক্ষের চারা রোপণ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, বিরোধীদলীয় হুইপ পীর ফজলুর রহমান।
এ সময় বৃক্ষের চারা রোপণ করেন নুরুন্নবী চৌধুরী এমপি, মনজুর হোসেন এমপি, পংকজ নাথ এমপি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খানও।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মুজিব বর্ষে ১ কোটি গাছের চারা রোপণের যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন সে কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রত্যেক সংসদ সদস্য কর্তৃক গাছ লাগানো হচ্ছে। এটি সকল মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে। বর্তমানে সারা বিশ্বে যে উষ্ণায়ন এর সৃষ্টি হচ্ছে বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে এ মহতী উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানান।
পীর ফজলুর রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণের যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের মানুষ তার এই আহ্বানের সাড়া দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে এগিয়ে আসবে। এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একটি সবুজ নিরাপদ বেষ্টনী গড়ে উঠবে।
নুরুন্নবী চৌধুরী বলেন, সমুদ্র উপকূলবর্তী দ্বীপ জেলাবাসীকে প্রতিনিয়ত ঝড়, বন্যা, বৃষ্টির সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয়। তিনি জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত বোধ করেন।
জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণের যে কর্মসূচির গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশের মানুষ সেই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পংকজ নাথ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশত বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ১ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে একটি তমাল গাছের চারা রোপণ করতে পেরে গর্বিত বোধ করেন।
ড. জাফর আহমেদ খান বলেন, 'মহানবী (সাঃ) বৃক্ষরোপণে সর্বাধিক জোর দিয়েছেন। বাংলাদেশ ও পৃথিবীর জন্য বৃক্ষ অপরিহার্য অংশ। মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ কাজ। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আমাদের পরিবেশ নির্মল হবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও পিডব্লিউডি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
