বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ

রুবেল তোপ সামলে তামিমদের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৫৯ পিএম

প্রথম স্পেলেই তামিম একাদশের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিলেন রুবেল হোসেন। তার তিন শিকারের সঙ্গে আবু হায়দার রনির এক উইকেট। ফলে মাহমুদউল্লাহ একাদশের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৮.১ ওভারেই ১৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তামিম একাদশ।

সেখান থেকে ইয়াসির আলি ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ব্যাটে প্রথমে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। এরপর মোসাদ্দেক হোসেন ও সাইফউদ্দিনের ব্যাটে ভর করে মাহমদুউল্লাহ একাদশকে ২২২ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যই ছুঁড়ে দিয়েছে তামিম একাদশ।

নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২২১ রান করে তামিম একাদশ। দলটির ইনিংস শেষ হতেই বৃষ্টি নামে মিরপুরে। ফলে ম্যাচ এখন বন্ধ রয়েছে।

ওয়ানডে ম্যাচে ২২২ রান আসলে খুব বড় কোনো লক্ষ্য নয়। এরপরও চ্যালেঞ্জিং স্কোর বলতে হচ্ছে, কারণ বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ আগের চার ম্যাচে দুই শ ছাড়ানো ইনিংস দেখেছে মাত্র দুটি। নিজেদের ঠিক আগের ম্যাচেই যেমন ২২১ রানের পুঁজি নিয়ে নাজমুল একাদশকে ৪২ রানে হারায় তামিম একাদশ।

মাহমুদউল্লাহ একাদশের জন্য এই ম্যাচটা বাঁচা-মরার। লিগ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলছে দলটি। আগের তিন ম্যাচে জয় মাত্র একটিতে। ফাইনালে যেতে হলে এই ম্যাচ শুধু তাদের জিতলেই হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যদের দিকেও। আর মাহমুদউল্লাহ একাদশ হেরে গেলে এক ম্যাচ হাতে থাকতেই ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে তামিম একাদশ ও নাজমুল একাদশের।

এমন ম্যাচে শুরুটা স্বপ্নের মতোই হয়েছিল মাহমুদউল্লাহ একাদশের। রুবেল ইনিংসে তৃতীয় ও নিজের দ্বিতীয় ওভারেই ফিরিয়ে দেন তানজিদ হাসান তামিমকে (১)। পরের ওভারেই রনির শিকার তামিম ইকবাল (৯)। এরপর এনামুল হক বিজয় (১) ও মোহাম্মদ মিথুনকে (২) নিজের শিকার বানান রুবেল। তাতে ১৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তামিম একাদশ।

সেখান থেকে পঞ্চম উইকেটে ১১১ রানের জুটিতে দলকে লড়াইয়ে ফেরান ইয়াসির ও অঙ্কন। দুজনই ফিফটি তুলে নেন। ৬২ রান করে ইয়াসির রান আউট হন। তার ৮১ বলের ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ১ছক্কা।

অঙ্কনকে রুবেল নিজের চতুর্থ শিকার বানালে ১৪৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় তামিম একাদশ। অঙ্কন ১১০ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৫৭ রান।

এরপর স্লগ ওভারে দারুণ ব্যাটিংয়ে দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যান মোসাদ্দেক ও সাইফউদ্দিন। ইবাদতের করা শেষ ওভারে পর পর দুই বলে ফেরেন দুজন। মোসাদ্দেকের ব্যাট থেকে ৪০ ও সাইফউদ্দিনের ব্যাট থেকে আসে ৩৮ রান।

বিসিবি আয়োজিত এই আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৯৭ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড মাহমুদউল্লাহ একাদশের। ফাইনালে আশা বাঁচিয়ে রাখতে ২২২ রান করে জিততে পারবে তো তারা?

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত