বাগেরহাটে এক পোশাক কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি সদস্যসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার বাগেরহাট মডেল থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বারুইপাড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য শেখ মিজানুর রহমান (৩৫), চিন্তারখোড় গ্রামের অমল মৃধার ছেলে বিকাশ মৃধা (১৯), নারায়ণ চন্দ্র সরকারের ছেলে সুকান্ত সরকার (৩২), অসীম বিশ্বাসের ছেলে বিধান বিশ্বাস (২৮) এবং মো. আনোয়ার ফকিরের ছেলে মো. সোহেল ফকির (২৩)।
সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য শেখ মিজানুর রহমানসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে বাগেরহাট মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। পরে আসামিদের গ্রেপ্তার করে ওই দিনই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে বাগেরহাট মডেল থানার ওসি বলেন, রবিবার রাতে বিজয়া দশমীর দুর্গাপূজা দেখে ওই পোশাক কর্মী তার দুই ছেলে সঙ্গী নিয়ে ভ্যানযোগে বাড়িতে ফিরছিলেন। বাকপুরা গ্রামে পৌঁছালে মেয়েটির পূর্ব পরিচিত বারুইপাড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানের সাথে দেখা হয়। তখন মিজানুর মেয়েটির সঙ্গে থাকা দুই ছেলে সঙ্গীকে বলে তোমরা চলে যাও ওকে আমি বাড়ি পৌঁছে দেব। ওই ছেলে সঙ্গীরা চলে গেলে ইউপি সদস্য মিজান নির্জনে নিয়ে মেয়েটিকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে।
কিছুক্ষণ পরে মিজানের অপর চার সঙ্গী ঘটনাস্থলে আসলে মিজান মেয়েটিকে এই ঘটনা জানাজানি না করার হুমকি দিয়ে তাদের সঙ্গে বাড়ি চলে যেতে বলে। তারা ওই মেয়েটিকে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার পথে যৌন হয়রানি করে।
ওসি জানান, পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি ইউপি সদস্য মিজানসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্যদেরও ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
