নীলফামারীর সদরের টুপামারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন মো. মছিরত আলী শাহ্ ফকির আবারও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
সীমানা জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলার পর দীর্ঘ নয় বছর পর বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয় টুপামারী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আফতাব উজ্জামান।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মছিরত আলী শাহ্ ফকির চশমা প্রতীককে ৮ হাজার ২৭৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী মো. আবুল কাশেম শাহ্ ৫ হাজার ৮৯৮ ভোট পান।
এছাড়া বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছায়েদুর রহমান মজনু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে। তিনি ৩ হাজার ২৯৭ ভোট পান।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আফতাব উজ্জামান বলেন, মোট ২০ হাজার ৯৯৭ জন মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ১৭ হাজার ৮৪৬জন ভোটার। এর মধ্যে ৩৭৮ জনের ভোট বাতিল হয়। নির্বাচনে মোট ৮৫ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে ৩৯জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে ১ নম্বর ওয়ার্ডে মিলন চন্দ্র সরকার, ২ নম্বর ওয়ার্ডে মো. রুহুল আমিন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো. হাবিবুর রহমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মো. মাহমুদুল হাসান মাসুম, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আবুল কালাম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আবু তালেব, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মো. মকবুল হোসেন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আসাদুল ইসলাম এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মো মজিবুর রহমান বেসরকারিভাবে সাধারণ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
এছাড়াও সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য পদে মোট ১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্য থেকে মোছা. আরজু আরা বেগম (১,২,৩), মোছা. পেয়ারী আক্তার (৪,৫,৬) এবং মোছা. নুর বানু বেগম (৭,৮,৯) বেসরকারিভাবে সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হন।
