প্রীতি ম্যাচ আর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ মেলানো যাবে না। এতদিন বাংলাদেশ প্রীতি ম্যাচ লক্ষ্য রেখে প্রস্তুত হচ্ছিল। গতকাল লক্ষ্য ও ভাবনায় চলে এসেছে ভিন্নতা। নেপালের বিপক্ষে মুজিববর্ষ ফিফা আন্তর্জাতিক ফুটবল সিরিজের দু’ম্যাচ ডিঙিয়ে এখন লাল-সবুজ বাহিনীর চোখ রাখতে হচ্ছে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কাতারের বিপক্ষে ৪ ডিসেম্বরের ম্যাচের দিকে। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দু’টি এখন নিছকই দীর্ঘ বিরতির পর ফুটবলে ফেরার আর কাতার ম্যাচের প্রস্তুতির উপলক্ষ। তবে নেপাল হোক কিংবা কাতার, বাংলাদেশ দলে এখন সবচেয়ে ভাবনার নাম ফিটনেস ও ম্যাচ অনুশীলনের ঘাটতি। করোনার কারণে শুয়ে-বসে কাটানো ফুটবলাররা মাত্রই ঘাম ঝড়াতে শুরু করেছে। যদিও দলের দুই ডিফেন্ডার তপু বর্মন ও রহমত মিয়া’র দাবি ফিটনেসের কাটতি এ ক’দিনে তারা ভালোই কাটিয়ে উঠেছেন।
তপু ও তার বসুন্ধরা কিংসের বাকি ১৩ সতীর্থ অবশ্য ফিটনেস প্রশ্নে অন্যদের চেয়ে খানিকটা এগিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে তারা রয়েছে কিংসের প্রাক-মৌসুম ক্যাম্পে। তবে অন্যদের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। নেপাল মোকাবিলার দু’দিন আগে তপু অবশ্য দলীয় দুর্বলতার বিষয়টি সামনে আনতে চাইছেন না, ‘আমরা যখন শুরু করি, তখন আমাদের ভাবনায় শুধুই ছিল নেপালের ম্যাচ। এখন আমরা মোটামুটি সবাই ৯০ থেকে ১০০ ভাগ প্রস্তুত। সবার ফিটনেস লেভেল আগের চেয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে।’ ফিটনেসে এখনো যে ১০ শতাংশ ঘাটতি আছে, তা মাঠে ১১জন শতভাগ দিয়ে পুষিয়ে নিতে চান তপু, ‘ফুটবল দলগত খেলা। ১১জন যদি এক সঙ্গে শতভাগ দিতে পারি তবে ১০ শতাংশ কমতির প্রভাব খেলায় পড়বে না।’
ক’দিন আগেই ফিটনেস নিয়ে আশাবাদী ছিলেন না আরেক ডিফেন্ডার রহমত মিয়া। তবে এ ক’দিনের পরিশ্রমে উন্নতি দেখছেন তিনিও, ‘করোনাকালে আমাদের যে শিডিউল দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো আমরা যথাযথ অনুসরণ করেছিলাম। ফলে ক্যাম্পে ফিটনেস নিয়ে প্রায় সব পরীক্ষায়ই আমরা সবাই উতরে গেছি।’
