পটিয়ায় চিকিৎসকের উপর হামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২০, ০২:৫৭ পিএম

অবহেলায় জুবায়ের হোসেন নামের দেড় বছরের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ তুলে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসকের উপর হামলা ও ভাঙচুর চালানো মামলার প্রধান আসামি ইমরান হোসেন মুন্নাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার শোভনদন্ডি ইউনিয়নের আশাতা গ্রামের তার শ্বশুর বাড়ি হতে থাকে আটক করা হয়। তিনি বড়লিয়া ইউনিয়নের ওকন্যারা এলাকার মো. ইসহাকের ছেলে।

মামলার বাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) জিয়াউদ্দিন মো. সাকিব জানান, গত ৯ অক্টোবর শুক্রবার  সকালের দিকে বড়লিয়া ইউনিয়নের ওকন্যারা গ্রামের ইমরান হোসনের দেড় বছর বয়সী জুবায়ের হোসেন নামের এক শিশুকে পুকুরের পানি থেকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে ইসিজি করে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর শিশুটিকে নিয়ে তার স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর কে বা কারা বলতে শুরু করে শিশুটি এখনো বেঁচে আছেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর পরবর্তীতে শিশুটি বেঁচে আছে বলে আবারও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। এ সময় আবারো দেখে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

এ সময় ভুল চিকিৎসায় শিশুটির মৃতুর অভিযোগে চিকিৎসকদের সঙ্গে এলাকার বিক্ষুব্ধ ৪০-৪৫ জনের লোকবল নিয়ে কোনকিছু বুঝে উঠার আগেই আমার উপর হামলা চালিয়ে এবং অফিসে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

পটিয়া থানার উপ-পরিদর্শক বোরহান উদ্দিন জানান, পটিয়া হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনায় শিশুটির বাবা ইমরান হোসেন মুন্নাকে আটক করা হয়েছে। এর আগে একই অভিযোগে মামলার আসামি শিশুটির মামা আবদুর রহমানকেও আটক করা  হয়েছিল। আটক মুন্নাকে আজ বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ইমরান হোসেন ও শিশুটির মামা আবদুর রহমানকে আসামি করে আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি বিরুদ্ধে চিকিৎসক জিয়াউদ্দিন মো. সাকিব বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

পটিয়ায় চিকিৎসকের উপর হামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

পটিয়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

অবহেলায় জুবায়ের হোসেন নামের দেড় বছরের এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ তুলে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসকের উপর হামলা ও ভাঙচুর চালানো মামলার প্রধান আসামি ইমরান হোসেন মুন্নাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার শোভনদন্ডি ইউনিয়নের আশাতা গ্রামের তার শ্বশুর বাড়ি হতে থাকে আটক করা হয়। তিনি বড়লিয়া ইউনিয়নের ওকন্যারা এলাকার মো. ইসহাকের ছেলে।

মামলার বাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) জিয়াউদ্দিন মো. সাকিব জানান, গত ৯ অক্টোবর শুক্রবার  সকালের দিকে বড়লিয়া ইউনিয়নের ওকন্যারা গ্রামের ইমরান হোসনের দেড় বছর বয়সী জুবায়ের হোসেন নামের এক শিশুকে পুকুরের পানি থেকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে ইসিজি করে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর শিশুটিকে নিয়ে তার স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর কে বা কারা বলতে শুরু করে শিশুটি এখনো বেঁচে আছেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর পরবর্তীতে শিশুটি বেঁচে আছে বলে আবারও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। এ সময় আবারো দেখে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

 

এ সময় ভুল চিকিৎসায় শিশুটির মৃতুর অভিযোগে চিকিৎসকদের সঙ্গে এলাকার বিক্ষুব্ধ ৪০-৪৫ জনের লোকবল নিয়ে কোনকিছু বুঝে উঠার আগেই আমার উপর হামলা চালিয়ে এবং অফিসে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

পটিয়া থানার উপ-পরিদর্শক বোরহান উদ্দিন জানান, পটিয়া হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনায় শিশুটির বাবা ইমরান হোসেন মুন্নাকে আটক করা হয়েছে। এর আগে একই অভিযোগে মামলার আসামি শিশুটির মামা আবদুর রহমানকেও আটক করা  হয়েছিল। আটক মুন্নাকে আজ বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ইমরান হোসেন ও শিশুটির মামা আবদুর রহমানকে আসামি করে আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি বিরুদ্ধে চিকিৎসক জিয়াউদ্দিন মো. সাকিব বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত