সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০২০, ০৯:৫৫ পিএম

সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং কর্মদক্ষতা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে সততা, নিষ্ঠা, দেশপ্রেম ও পেশাগত দক্ষতায় বলীয়ান হয়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দেশ গড়ার কাজে অবদান রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২০ উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় টেলিভিশনের দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ প্রত্যাশার কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর সকল সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।

এর আগে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিন বাহিনী প্রধান। এ ছাড়া নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন করে।

সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে তিন বাহিনী সদস্যসহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় অন্যান্য বছরের মতো এ বছর সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব হয়নি বলে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাহিনীগুলো নিজেদের মতো করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে আজকের এই দিনটি এক বিশেষ গৌরবময় স্থান দখল করে আছে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মহান আত্মত্যাগ ও বীরত্বগাথা জাতি চিরদিন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অকুতোভয় সদস্যরা যৌথভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণের সূচনা করেন। সম্মিলিত আক্রমণের মুখে শত্রুবাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়।

জাতির পিতা প্রবর্তিত ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ এই মূলমন্ত্রে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিমালা পরিচালিত হয় উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, প্রতিবেশী সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে আমরা বিশ্বাসী। তবে যে কোনো আগ্রাসী আক্রমণ থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমরা সদাপ্রস্তুত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধুর প্রতিরক্ষানীতি ১৯৭৪-এর আলোকে আমরা ফোর্সেস গোল-২০৩০ প্রণয়ন করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় সশস্ত্র বাহিনীকে সাংগঠনিকভাবে পুনর্গঠন, উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান এবং বিশেষায়িত সামরিক সজ্জায় সজ্জিত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর পরই জাতির পিতা একটি উন্নত ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করায় ১৯৭৪ সালে প্রণয়ন করেছিলেন প্রতিরক্ষা নীতি।

সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে জাতির পিতার নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী লগ্নে জাতির পিতা প্রণীত জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতির শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং কর্মদক্ষতা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দেশের যে কোনো ক্রান্তিলগ্নে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় তাদের ভূমিকা প্রশংসনীয়।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য আক্রান্ত হন এবং বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর কথা তুলে ধরে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করার পাশাপাশি  তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান শেখ হাসিনা। যারা এই রোগে এখন আক্রান্ত রয়েছেন, তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।

এক দশকে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি শাখাকে আধুনিক সমরাস্ত্র এবং উপকরণে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি বাহিনীর সদস্যদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, আমাদের সরকারের আমলে সশস্ত্র বাহিনী যে পরিমাণ আধুনিকায়ন হয়েছে অতীতে কোনো সময়েই তা হয়নি।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২টি পদাতিক ব্রিগেড, রামুতে ১০ পদাতিক ডিভিশন, সিলেটে ১৭ পদাতিক ডিভিশন, পদ্মা সেতু প্রকল্পের নিরাপত্তা ও তদারকির জন্য একটি কম্পোজিট ব্রিগেড, স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন ছাড়াও ১০টি ব্যাটালিয়ন, এনডিসি, বিপসট, এএফএমসি, এমআইএসটি, এনসিও’ একাডেমি ও বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে দেশের সামরিক হাসপাতালগুলোতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করার পাশাপাশি  ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে এবং আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতাকে বৃদ্ধি করতে সেনাবাহিনীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আর্মি ইনফরমেশন টেকনোলজি সাপোর্ট অর্গানাইজেশন।

সরকারপ্রধান জানান, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইএফএফ প্রস্তুতকরণ প্রকল্প, মাইন-টর্পেডো ডেভেলপমেন্ট, গান ডেভেলপমেন্টসহ বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ক্রমাগত প্রচেষ্টা ও নিজস্ব বিশেষজ্ঞ দ্বারা উন্নত প্রযুক্তির সফটওয়্যার তৈরি করে সাইবার নিরাপত্তা ও নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক ওয়ারফেয়ারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারই সর্বপ্রথম সশস্ত্র বাহিনীতে নারী সদস্য নিয়োগ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে অনেক উন্নত এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশ যখন ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির মুখে পড়েছে, তখন বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের প্রবাসী আয়, কৃষি উৎপাদন এবং রপ্তানি বাণিজ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এমতাবস্থায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে হবে।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শনিবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী সম্মিলিতভাবে ও আলাদা কর্মসূচি পালন করেছে বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তাদের সামরিক সচিবগণ সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে সম্মিলিতভাবে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

দিবসটি উপলক্ষে তিন বাহিনী প্রধানগণ বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক (অব.), তিন বাহিনী প্রধান ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (এএফডি)-এর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সেনাপ্রধানকে সেনাবাহিনী পদক প্রদান

আইএসপিআর পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার গণভবনে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে ‘সেনাবাহিনী পদক’ (এসবিপি) দিয়েছেন। সেনাবাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে দৃষ্টান্তমূলক অবদানের জন্য সেনাবাহিনী প্রধানকে এ পদক দেওয়া হয়। সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে গণভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি সেনাবাহিনী প্রধান এর হাতে এ পদক তুলে দেন। এ সময় তিন বাহিনী প্রধানসহ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নৌবাহিনীর ৪০ কর্মকর্তাকে পদক

আইএসপিআর আরও এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে শান্তিকালীন সময়ে বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৯ সালের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ৪০ কর্মকর্তা ও নাবিককে শান্তিকালীন পদকে ভূষিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জন নৌবাহিনী পদক (এনবিপি), ৫ জন অসামান্য সেবা পদক (ওএসপি), ৫ জন বিশিষ্ট সেবা পদক (বিএসপি), ৭ জন নৌ গৌরব পদক (এনজিপি), ১০ জন নৌ উৎকর্ষ পদক (এনইউপি) এবং ১০ জন নৌ পারদর্শিতা পদক (এনপিপি) অর্জন করেন।

পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল শাহীন ইকবাল  ৩ জন কর্মকর্তাকে নৌবাহিনী পদক (এনবিপি) পরিয়ে দেন। তারা হলেন ভাইস অ্যাডমিরাল এম আখতার হাবীব (অব.), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমআরএমইউ) এর ভিসি রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ খালেদ ইকবাল এবং সহকারী নৌপ্রধান অপারেশনস রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ আবু আশরাফ। এছাড়া নৌপ্রধান ৪ জনকে অসামান্য সেবা পদক, ২ জনকে বিশিষ্ট সেবা পদক, ৪ জনকে নৌ গৌরব পদক, ২ জনকে নৌ উৎকর্ষ পদক এবং একজনকে নৌ পারদর্শিতা পদক পরিয়ে দেন। 

শনিবার নৌসদরের জুপিটার হলে শান্তিকালীন এ পদক বিতরণ করা হয়। এ সময় নৌসদরের অন্যান্য পিএসও’গণ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পদকপ্রাপ্ত অন্যান্য কর্মকর্তা ও নাবিকদের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা নৌঅঞ্চলের স্ব স্ব নৌ প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পদক প্রদান করা হয়।

পটুয়াখালীতে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

দেশ রূপান্তরের পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান, দিবসটি উপলক্ষে বাউফলে শনিবার ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র কল্যাণ সংস্থা বাউফল উপজেলা শাখা সভাপতি নয়ন খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন। সকাল ১০টায় গলাচিপা অফিসার্স ক্লাব সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার গাজী মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার। উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নজরুল ইসলাম, গলাচিপা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ফোরকান কবির, গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সাধারণ লোকজনদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যগনসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি জানান, দুমকিতে আলোচনা সভা ও প্রীতি ভোজের মধ্যে দিয়ে শনিবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয়েছে। অবসর প্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত আলোচনা সভায় সার্জেন্ট (অব.) এসএম ফজলুল হকের সভাপতিত্বে দুমকি থানার ওসি তদন্ত মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি ছিলেন। আঙ্গারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. সুলতান আহম্মেদ হাওলাদার, শ্রীরামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম সালাম বিশেষ অতিথি ছিলেন। এতে বক্তব্য রাখেন অনারারি লেফটেন্যান্ট (অব.) মো. খলিলুর রহমান, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (অব.) গোলাম মোস্তফা, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (অব.) আলমাস মিয়া, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (অব.) আনোয়ার হোসেন ফরাজী, সার্জেন্ট (অব.) তোফায়েল আহম্মদ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত