মধু দার ভাস্কর্যের কান ভেঙে ফেলার পর রাতেই মেরামত

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:৪২ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে থাকা ‘মধুসূদন দে স্মৃতি ভাস্কর্য’র একটি কান ভেঙে ফেলার পর বুধবার রাতেই তা মেরামত করা হয়েছে। কে বা কারা, কখন ভাস্কর্যে আঘাত করেছে তা জানা যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম জানায়, মধু দার ভাস্কর্যের অংশবিশেষ ভাঙার বিষয়টি নজরে আসার পর প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানীকে জানানো হয়। পরে প্রক্টরিয়াল টিমের কয়েকজন সদস্য এসে ভাস্কর্যের ভাঙা অংশটি পুনস্থাপন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘এমন একটি তথ্য আমার কাছে এসেছে। মধুর ক্যানটিনের সামনে উপস্থিত লোকজনই ভাস্কর্যটির কান প্রতিস্থাপন করেছেন। তবে ভাস্কর্যে আঘাতটি খেয়ালের বশে হয়েছে, নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে, তা এখনো জানা যায়নি।’

মধুর ক্যানটিনের এক কর্মচারী জানান, বুধবার পৌনে ৮টার দিকে তারা মধু দার ভাস্কর্যের অংশবিশেষ ভাঙা দেখতে পান। পরে প্রক্টরকে বিষয়টি জানানো হয়। রাত ৯টার পর প্রক্টরিয়াল টিম এসে ভাস্কর্যের ভেঙে ফেলা অংশটি লাগিয়ে দিয়ে যায়।

মধুসূদন দে ‘মধু দা’ নামে বহুল পরিচিত। তিনি ছিলেন মধুর ক্যানটিনের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে সোচ্চার ছিলেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তাকে হত্যা করে। তার নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সামনে অবস্থিত রেস্তোরাটির নামকরণ করা হয় ‘মধুর ক্যানটিন’।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত