আজ বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বুকে জড়িয়ে বাহবা দিতেন বলে মন্তব্য করেছেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, বিশ্বে প্রথম অ্যান্টিবডি উদ্ভাবন করার পরও প্রশংসিত না হয়ে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে। সরকার বাহবা না দিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে।
সোমবার দুপুরে ধানমণ্ডিতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নগর হাসপাতালে শীতবস্ত্র বিতরণ ও আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিশ্বে প্রথম আমরা অ্যান্টিবডি কিট আবিষ্কার করেছিলাম। আজকে শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকলে জড়িয়ে ধরে বলতেন, ‘জাফরুল্লাহ, জবর কাজ করেছ। কিন্তু সরকার আমাদের প্রতিটা পদে পদে কাঁটা বিছিয়েছে। সরকার আমাদের কন্ডিশন দিল এ কিট আমেরিকা থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনতে হবে। এতে আরও তিন কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।
তিনি আরও বলেন, গণস্বাস্থ্যের উদ্যোগ যাতে সফল না হয়, সে জন্য প্রতিটি পদে কাঁটা বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে ১০ মাসেও অনুমোদন পায়নি করোনার অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন কিট। এটি অনুমোদন পেলে আর্থিকভাবে যেমন দেশ লাভবান হতো, তেমনি এমন কাজে জ্ঞানের বৃদ্ধিও হতো। কিন্তু উল্টো এ কাজ করতে গিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ১০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ টাকা থাকলে এখন শীতার্ত ও অসহায় মানুষদের সহায়তা করা যেত।
এ সময় গণস্বাস্থ্যের গণমাধ্যম উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টুর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মঞ্জুর কাদির আহমেদ, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া প্রমুখ।
