সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘন করে ভারতীয় জনতা পার্টির অফিস নির্মাণের প্রতিবাদে শুক্রবার বিজিবি-বিএসএফ এর পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল ১১টায় মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর সীমান্তবর্তী মোহনপুর জিরো পয়েন্টে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার ভারতীয় জনতা পার্টি বিজিপি মোহনুর এলাকায় ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজিপি) অফিসটি পাকাকরণের প্রস্তুতি নেয়। ভবনটি জিরো পয়েন্ট থেকে ভারতীয় অংশের ১৫০ গজের ভেতরে হওয়ায় বাংলাদেশের পক্ষে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) বাধা দেয়।
বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিলে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৫ বিজিবি’র অধিনায়ক সামিউন্নবী চৌধুরী ওই এলাকা পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে বিএসএফের নিকট বার্তা প্রেরণ করা হয়।
এ প্রেক্ষিতে শুক্রবার পতাকা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৫ বিজিবি’র কোম্পানি কমান্ডার আবু বকর। ভারতীয় পক্ষে ছিলেন বিএসএফ এর ইন্সপেক্টর ত্রিবানী কুমার সিং।
হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৫ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল এস.এন.এম সামীউন্নবী চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ভারতীয় অংশের মোহনপুর এলাকায় পূর্বে থেকেই একটি টিনের ঘরে বিজিপি’র অফিস ছিল। ইদানীং তারা ঘরটি পাকা করার উদ্যোগ নেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের বর্ডার গাইড লাইনুযায়ী জিরো পয়েন্ট থেকে ১৫০ গজের ভেতর কোন স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ না করার চুক্তি রয়েছে। বিজিপি স্থায়ীভাবে ঘর নির্মাণ করার উদ্যোগ নেওয়ায় ওই গাইড লাইন অনুযায়ী প্রতিবাদ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পতাকা বৈঠকে ওই চুক্তির শর্তাবলি বিএসএফ সদস্যদের অবগত করা হয়। বিএসএফ তা স্বীকার করে নির্মাণকাজ বন্ধ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।
