খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) অথরাইজড অফিসার মো. মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে-বেনামে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতিমধ্যে অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য ৭৫ কার্যদিবসের মধ্যে রেকর্ডপত্র সরবরাহের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত খুলনা জেলা কার্যালয় কর্মকর্তারা জানান, মো. মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কেডিএতে প্ল্যান নিতে আসা লোকজনের সঙ্গে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত কনসালট্যান্সি ব্যবসা ও একনেকে অনুমোদিত থ্রি-লিঙ্ক রোডের অ্যালাইমেন্ট নিজের জমি এবং কন্ট্রাককৃত ব্যক্তিদের জমির ওপর দিয়ে টেনে নেওয়াসহ ইউটিএম মেশিন ও পিকআপ ক্রয়ে অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া দুর্নীতির মাধ্যমে তার স্ত্রী মঞ্জিলা খানম, সন্তান আনিন নাওয়ার ও আরিশা নাওয়ারের নামে জমি কেনাবেচা ও প্লট-ফ্ল্যাট গড়ে তুলেছেন তিনি। এমন অভিযোগ আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন অনুসন্ধান শুরু করেছে।
দুদক সমন্বিত খুলনা জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নীল কমল পাল বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, অনিয়ম, দুর্নীতির মাধ্যমে কেডিএ’র অথরাইজড অফিসার মো. মুজিবুর রহমান তার পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ যেমন বাড়ি, ফ্ল্যাট ও বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন এমন অভিযোগ দাখিল হয়েছে। এর সত্যতা অনুসন্ধানে রেকর্ডপত্র সরবরাহে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ৭৫ কার্যদিবসের মধ্যেই যাবতীয় রেকর্ডপত্র সরবরাহ করতে হবে। অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
