নীলফামারীর ডোমারে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে যুবক লাল মোহন দাশ লিটনকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে বুধবার রাতে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা বাজার এলাকা থেকে লিটনকে গ্রেপ্তার করাসহ অপহরণের শিকার ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মোহন দাশ লিটন ডোমার উপজেলার সদর ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া গ্রামের ছতিস দাশের ছেলে বলে জানান ডোমার থানা-পুলিশের পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজার রহমান।
মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ডোমার উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড় রাউতার সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে মাদ্রাসায় যাওয়া আসার পথে প্রেম প্রস্তাব দিয়ে আসছিল লাল মোহন দাশ লিটন। ওই প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর রাস্তায় একা পেয়ে ছাতিটিকে অপহরণ করে বিভিন্ন স্থানে রেখে ধর্ষণ করে।
এঘটনায় ১৯ ডিসেম্বর ওই ছাত্রীর বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা বাজার এলাকা থেকে লালমোহন দাশ লিটনকে গ্রেপ্তার করে ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
ডোমার থানা-পুলিশের পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এঘটনায় ১৯ ডিসেম্বর ওই ছাত্রীর বাবা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সন্ধান পেয়ে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা বাজার এলাকায় বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি লাল মোহন দাশ লিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং অপহরণের শিকার ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ছাত্রীটিকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া লিটনকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
