টিকাদান কর্মসূচির প্রথম দিন সফটওয়্যারের সমস্যার কারণে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে কার্যকর হল না কো-উইন অ্যাপ। ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে বিকল্প ব্যবস্থা করতে হয় রাজ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে।
আনন্দবাজার জানিয়েছে, করোনা টিকাকরণ কেন্দ্রগুলোতে হাতেকলমে শুরু হয়েছে তথ্য সংগ্রহ, নথিভুক্তকরণ ও পরীক্ষার কাজ।
করোনা টিকা যারা নেবেন তাদের ‘কো-উইন’ অ্যাপের মাধ্যমে নাম নথিভুক্ত করতে হবে বলে আগেই জানিয়েছিল দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। এমনকি শনিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান সে কথা।
টিকা প্রাপকের নাম, ঠিকানা, বয়স, ফোন নম্বর-সহ নানা তথ্য এই অ্যাপের মাধ্যমেই সংরক্ষিত রাখার নিয়ম। কিন্তু সফটওয়্যারের সমস্যার কারণে প্রথম দিনের কর্মসূচিতে তা সম্ভব হয়নি।
শনিবার যাদের করোনা প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে, তারা মূলত চিকিৎসাকর্মী। তাই আগে থেকেই কিছু তথ্য সংরক্ষিত ছিল। টিকা দেওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিযুক্ত ভলান্টিয়ার অফিসার (ভিও)-রা তা মিলিয়ে দেখেছেন।
ব্রিটিশ-সুইডিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তি নিয়ে সিরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড এবং ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন, এই দু’টি প্রতিষেধক নিয়ে ভারতে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হল শনিবার। তার জন্য সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৩ হাজার ৬টি টিকাকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।
প্রথম দফায় সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনে প্রতিটি কেন্দ্রে ১০০ জনের শরীরে প্রতিষেধক প্রয়োগের লক্ষ্য রাখা হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম দিনেই প্রায় ৩ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী প্রতিষেধক নেবেন।
