নান্দনিকভাবে সাজানো ছিল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হরেক রকমের পিঠার ডালা। সজ্জিত ডালায় ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পাক্কন, ম্যারা, আন্দসা, নারকেলের পুলি, চিতই ও ভাপা পিঠা। সেই সঙ্গে ছিল জনপ্রিয় ‘রাজা মামার’ হরেক রকমের চা। মালাই, কাশ্মীরি, তেঁতুল চা ও রাজা মামার স্পেশাল চা।
শৈত্য প্রবাহের কারণে শুক্রবার কুয়াশায় আচ্ছন্ন শীতের সকালে আয়োজিত পিঠা উৎসবে গরম-গরম পিঠার স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি ধোঁয়া ওঠা বাহারি স্বাদের চাও অনুষ্ঠানে ভিন্নতা আনে। আগত অতিথিদের মন ভরে যায় মনোমুগ্ধকর এ আয়োজনে।
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি প্রাঙ্গণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার আয়োজনে এদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলে এই পিঠা উৎসব। আনন্দঘন এই উৎসবে ঢাকায় সাংবাদিকতা পেশায় কর্মরত ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর মিলন মেলা বসে। উৎসবে মেতে ওঠে সাংবাদিকসহ পরিবারের সদস্যরাও।
ফিতা কেটে উৎসবের উদ্বোধন করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মোতাসিম বিল্লাহ। পরে উৎসবে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য সৈয়দ আবদাল আহমেদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি মুরসালিন নোমানী, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সভাপতি মিজান মালিক, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম, পিআইবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শেখ মজলিশ ফোয়াদ প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সাবেক যুগ্ম মহাসচিব জাকারিয়া কাজল, ডিআরইউর সাবেক সহসভাপতি আজমল হক হেলাল, আয়োজক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, সহ সভাপতি শামীমুল হক, ডিইউজের নির্বাহী সদস্য জুবায়ের চৌধুরী প্রমুখ।
