চতুর্থ ধাপে লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌরসভা নির্বাচনে ‘গোপন কক্ষে ওপেন ভোট’ করতে বাধ্য করা, বহিরাগতদের এনে ভোটে প্রভাব বিস্তার, কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
রবিবার সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে রামগতি পৌরসভা নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মনের অভিযোগ এনে ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি প্রার্থী শাহেদ আলী পটু জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের আলমগীর হোসেন ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জামাল উদ্দি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
বিএনপি প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘সকালে কেন্দ্রগুলোতে প্রচুর ভোটারের উপস্থিতি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোট কেন্দ্রগুলোতে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকার প্রার্থী মেজবাহ উদ্দিন মেজুর সমর্থিত বহিরাগতরা প্রভাব বিস্তার করে সব কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দিয়ে সবার সামনে নৌকায় ভোট দেওয়া শুরু করে।
প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে জানালেও ‘কোনো প্রতিকার না পাওয়ায়’ নির্বাচনকে ‘উলঙ্গ নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।
একই অভিযোগ করেন জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী আলমগির হোসেন বলেন, ‘ইভিএম মেশিনে ভোটগ্রহণ চললেও আমি নিজেও ভোট দিতে পারিনি। এ ধরনের ডিজিটাল কারচুপির ভোট, অনিয়মের ভোট বর্জন করছি’।
স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জামাল উদ্দিন জানান, ‘যদি এ ধরনের নির্বাচন হবে তাহলে নির্বাচন দেওয়ার দরকার ছিল না। সন্ত্রাসীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে প্রচুর ভোটার সমাগম হলেও ভোটারদের বাধ্য করা হচ্ছে সবার সামনে ভোট দিতে’।
এ এসব অনিয়মের অভিযোগে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মেজবাহ উদ্দিনসহ (নৌকা প্রতীক) মেয়র পদে আরো তিন এবং কাউন্সিলর পদে ৪৯ জন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার।
