ঢাকা থেকে গাড়িবহর নিয়ে বরিশাল যাওয়ার পথে ফেরিঘাটে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন।
বৃহস্পতিবার ভোরে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর সোয়া ১০টির দিকে গাড়িবহর মাওয়া ফেরিঘাট পৌঁছালে পুলিশ বাধা দেয় বলে সাংবাদিকদের জানান ইশরাক হোসেন।
গাড়িবহরে থাকা ইশরাকের সহকারী সুজন মাহমুদ জানান, মাওয়া ফেরিঘাটে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে বিএনপির মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ইশরাক হোসেনের গাড়িবহর পৌঁছালে পুলিশ এতে বাধা দেয়।
এমনকি গাড়ির চালকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে গাড়ি রেখে চলে যেতে বাধ্য করা হয়। পরে ট্রলারযোগে বরিশালে বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দেন ইশরাকসহ নেতাকর্মীরা। কিন্তু মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ঘাটে ইশরাক হোসেন ও তার সঙ্গীরা পৌঁছালে ঘাট এলাকার সব যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পরে স্থানীয় এক নেতার গাড়ি নিয়ে সমাবেশের উদ্দেশে রওনা দেন ইশরাক।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে পুলিশের কারও বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়াঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম দৈনিক দেশ রূপান্তরকে বলেন, কোনো ফেরি বন্ধ করা হয়নি। প্রকৃত সত্যি হচ্ছে সকাল থেকে শিমুলিয়াঘাট ছেড়ে যায় ফেরিগুলো। এতে করে সব ফেরি নৌরুটের বাংলাবাজারঘাটে অবস্থান করছিল। তাই সামান্য কিছু সময় শিমুলিয়াঘাটে ফেরি ছিল না। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা ধৈর্য না ধরেই স্পিডবোট ও লঞ্চে চড়েছেন। এটা তাদের ব্যাপার।
এদিকে সমাবেশ উপলক্ষে বুধবার রাতে লঞ্চে করে ঢাকা থেকে বরিশালে পৌঁছেছেন কয়েক হাজার নেতাকর্মী।
বরিশাল নগরীর জিলা স্কুল মাঠে আজ দুপুরে সমাবেশ শুরু হবে। নির্বাচনে ভোট কারচুপির প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত ছয় সিটিতে সমাবেশের প্রথম কর্মসূচি হচ্ছে বরিশালে।
সমাবেশে দেশের ছয় সিটি করপোরেশনে বিএনপির মনোনয়নে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ।
দলের যুগ্ম মহাসচিব এবং বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বুধবার সন্ধ্যায় জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে আমাদের সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মহানগর পুলিশ। নগরের জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশ করার অনুমতি দিয়েছে তারা। যদিও এ অনুমতির সঙ্গে বেশ কিছু শর্তজুড়ে দেওয়া হয়েছে।
