শ্রমিক স্বার্থবিরোধী আইনের ধারা বাতিলের দাবি

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০১:০৭ এএম

শ্রম আইনের বিভিন্ন ধারাকে কালো আইন আখ্যা দিয়ে সেগুলো বাতিলের দাবি জানিয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট। শ্রমিক হয়রানি ও নির্যাতনমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে আইএলও কনভেনশন অনুস্বাক্ষরেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। 

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়। 

গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি আহসান হাবিব বুলবুল বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যারা জীবন দিয়েছিল তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ শ্রমজীবী মানুষ। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হলেও ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের প্রতিদিনের কর্মভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে ব্রিটিশ ও পাকিস্থান আমলের ঔপনিবেশিক আইন দ্বারা। শ্রমজীবী মানুষের প্রতিবাদের মুখে ২০১৩ এবং ২০১৮ সালে শ্রম আইন সংশোধন করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই শ্রমজীবী মানুষ প্রতারিত হয়েছে, তাদের অধিকার আরও সংকুচিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের চাকরি অবসানকালীন সুবিধা যাতে মালিকরা আত্মসাৎ করতে পারে শ্রম আইনের ছত্রে ছত্রে সেই সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। রফতানিমুখী শিল্পের শ্রমিকদের মুনাফায় অংশগ্রহণের অধিকার কৌশলে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কর্মস্থলে দুর্ঘটনাজনিত কারণে মৃত্যুতে নির্ধারীত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ শ্রমিকদের সঙ্গে উপহাসের নামান্তর। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা সম্পদ সৃষ্টির কারিগর শ্রমিক অথচ রাষ্ট্র পুঁজির মালিকদের স্বার্থ রক্ষায় আইএলও কনভেনশন অনুসারে শ্রমিকের মানসম্মত জীবনধারণের অধিকার, স্বাধীনভাবে সংগঠিত হওয়া ও দরকষাকষির অধিকারের স্বীকৃতি দেয়নি। আইনটির ২৩, ২৬, ২৭ (৩ক), ১৭৯ (২.৫), ১৮০ (১খ), ২৩২(৩) নং ধারাসহ শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী ধারাগুলো বাতিলের জানান তিনি। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত