ধর্ষণের শিকার নারী-শিশুর ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনে কেন নির্দেশ নয়: হাইকোর্ট

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৪৫ এএম

ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুদের আত্মমর্যাদা ও জীবন ধারণের (ক্ষতিপূরণ ও  পুনর্বাসন) জন্য কর্মপরিকল্পনার প্রশ্নে রুল জারি করেছে উচ্চ আদালত। ভুক্তভোগীদের পুনর্বাসনে নীতিমালা ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না রুলে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে।

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব, অর্থ সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, সমাজকল্যাণ সচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ ১৪ বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।  

গত ২ জানুয়ারি শিশু অধিকার সংগঠন ‘চিলড্রেন চ্যারিটি ফাউন্ডেশন’র পক্ষে এ রিট আবেদনটি করা হয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার এম এ হালিম। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

আইনজীবী আব্দুল হালিম জানান, দিনাজপুর সদর, জেলার পার্বতীপুর ও খুলনার দৌলতপুরে তিন শিশুকে যৌন নির্যাতনের ঘটনার পরিপ্রেড়্গিতে ওই তিন শিশুসহ ধর্ষণের শিকার নারী ও শিশুর ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে এ আবেদনটি করা হয়।

আব্দুল হালিম আরও বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ধর্ষণের শিকার নারী সমাজে অনেকটা অচ্ছুৎ হয়ে পড়েন। একে তো নির্যাতনের শিকার হন। তার ওপর তার জীবন হয়ে পড়ে অনিশ্চিত। এছাড়া শিশুরা ধর্ষণের শিকার হলে সারা জীবনের জন্য এর প্রভাব পড়ে তার ওপর। রাষ্ট্রকেই ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ কিংবা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি জানান, ২০১৮ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা তৈরি করে দিয়েছে। সেখানে ধর্ষণের শিকার নারী শিশুদের ১৩টি ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত