ঢাকার ধামরাইয়ে বাসা থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার পথে এক স্কুলশিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পৌর এলাকার কুমরাইল আমবাগান মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে ধর্ষক মুদি দোকানি শিফাত পলাতক। তার বাড়ি ধামরাই পৌরসভার কুমরাইল আমবাগান মহল্লায়।
ওই শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ৭টায় নবম শ্রেণিপড়ুয়া ভুক্তভোগী স্কুলশিক্ষার্থী স্থানীয় হার্ডিঞ্জ স্কুলে কোচিং করতে যাচ্ছিল। এ সময় কুমরাইল আমবাগান এলাকার মুদি দোকানি শিফাত ওই ছাত্রীকে ডাক দিয়ে দোকানের ভেতরে নিয়ে যায়। পরে গামছা দিয়ে তার মুখ বেঁধে দোকানের শাটার নামিয়ে ধর্ষণ করে।
এ ব্যাপারে প্রতিবেশী চায়ের দোকানদার বাবুল জানান, শিফাত দোকান খোলার পর আবারও হঠাৎ দোকানের শাটার দেয়। দীর্ঘক্ষণ হলেও দোকান না খোলায় এবং ভেতর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে শাটার ভাঙার চেষ্টা করি। এ সময় শিফাত শাটার খুলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিফাতের মামা আবজাল হোসেনের এলাকার ক্ষমতাশালীদের সঙ্গে সখ্য রয়েছে। ফলে তাদের ভয়ে মামলা করতে ভয় পাচ্ছে ভুক্তভোগীর পরিবার। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বলেন, ‘ঘটনার পর শিফাতের মামারা হুমকি দেওয়ায় মামলা করতে ভয় পাচ্ছি আমরা।’
ধামরাই থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় এখনো থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
