ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের গবেষণা জালিয়াতির সংবাদ প্রকাশ করায় দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব, প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রতিনিধি তানভীর হাসানকে উকিল নোটিশ পাঠানোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রেস ক্লাস এ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (জাবিসাস)।
মঙ্গলবার সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোসাদ্দেকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানিয়ে উকিল নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
জাবি প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান তানভীর ও সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান এ যৌথ বিবৃতিতে বলেন, গত ২২ ফেব্রুয়ারি দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় ‘সাদেকা হালিমসহ ৩ শিক্ষকের গবেষণার অধিকাংশ নকল’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর জের ধরে গত ৪ মার্চ পত্রিকাটির সম্পাদক, প্রকাশক ও ঢাবি প্রতিনিধির বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ পাঠান অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। প্রতিবেদনটিতে প্ল্যাজিয়ারিজম বা চৌর্যবৃত্তি শনাক্ত করার আন্তর্জাতিক সফটওয়্যার ‘টার্নইটইন’র বরাত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও আইনি নোটিশ পাঠানো অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত। সংবাদমাধ্যমের ওপর এরূপ হুমকি সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অন্তরায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা অপরিহার্য। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।
জাবিসাসের সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমসহ তিন শিক্ষকের ওই গবেষণা প্রবন্ধটি প্ল্যাজিয়ারিজম বা চৌর্যবৃত্তি শনাক্ত করার সফটওয়্যার ‘টার্নইটইন’র মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে। টার্নইটইনে প্রবন্ধটি যাচাইয়ের অনুলিপি দেশ রূপান্তরের কাছে রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে। এরপরও আইনি নোটিশ পাঠানো অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত। এটি স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ।’
